January 29, 2016 12:45 pm A- A A+

কে ঘুছাবে হিরনের শূণ্যতা

Jebu Pic Sadik Pic

জেবুন্নেছা আফরোজ, তালুকদার মো. ইউনুস. আফজালুল করীম, গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল. মাহবুব উদ্দিন, খোকন সেরনিয়াবাদ, জাহিদফারুক শামীম, আমিন উদ্দিন মোহন, সাদিক আব্দুল্লাহ (বাম থেকে)

মো. মঈন তুষার ॥
নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলছে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের রাজনীতি। নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও দু’গ্র“পিংয়ে মুখোমুখী অবস্থানে চরম বিশৃঙ্খলার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মোদ্দা কথা প্রায় সবাই নেতা হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ায় ভেঙ্গে পড়েছে কমাণ্ডিং সেন্টার। মুখে মুখে দলের কথা বললেও নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সমর্থকরা পর্যন্ত নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। কেউ কারো কথা শুনছেনা। নামমাত্র মহানগর কমিটি থাকলেও তা কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। শওকত হোসেন হিরন থাকাকালীন জোরালো সাংগঠনিক কার্যক্রম থাকায় আন্দোলন সংগ্রামে কর্মীরাও ছিলো উজ্জিবীত। বর্তমান অবস্থা এমন এক পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে তাতে নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা হতাশায় ডুবতে শুরু করেছে। লুটপাটের পথ প্রশস্ত করতে একটি গ্র“প দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ভুলে নিজেদের গ্র“প ভারী করার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছে। নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে মত্ত একটি গ্র“প বিএনপি-জামায়াতের সাথেও আতাঁত করতে দ্বিধা করছে না। একজনের একাধিক পদ-পদবী থাকতেও একে অপরকে ল্যাংমারার কৌশল অবলম্বন করে ‘আরও ক্ষমতা চাই’- এমন মোহমায়ায় বিবেকবর্জিত হয়ে পড়েছে। একজন আরেকজনকে সরিয়ে পদ দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। একারণেই গ্র“পিংয়ে বিভক্ত হয়ে সাংগঠনিকভাবে অনেকটা শক্তি সামর্থহীন হতে শুরু করেছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ। এসুযোগ কাজে লাগাচ্ছে জামায়াত-বিএনপি। প্রায় ভেঙ্গে পড়া দিশাহীন বিএনপি-জামায়াত আবার জেগে ওঠার স্বপ্নে সাংগঠনিক তোড়জোড় বাড়িয়ে দিয়েছে। এক্ষেত্রে মহানগর আওয়ামী লীগের একটি গ্র“প বিএনপি-জামায়াতের মাথার ছাতা হয়ে কাজ করছে। গ্র“পিংয়ে টিকে থাকতে শক্তি সামর্থ প্রদর্শনের জন্য জামায়াত-বিএনপিকে ছত্রছায়া দেয়ার মতো আত্মঘাতি কাজ চলছে নির্দ্বিধায়। বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের নাশকতার মামলায় আইনি সহায়তা দেয়ার ঘটনা সাধারণ মানুষকে হতবাক করেছে। এযেনো নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করার মতো অবস্থা। এধরণের দলবিরোধী আত্মঘাতি কর্মকান্ডের কেউ প্রতিবাদ করলেও একটি গ্র“পের রোষানলে নাজেহাল হতে হচ্ছে। এক কথায় নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগে অশনিসংকেত হয়ে দেখা দিয়েছে। দল থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করেছে মেধা, যোগ্যতা ও ত্যাগের মূল্যায়ন। অবস্থা এমন বেগতিক পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে যে, এখন অনেকেই নীতি নৈতিকতা হারানোর ভয়ে মেধাবী নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা ঘরকুনো হয়ে বসে আছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত হোসেন হিরন প্রয়াত হওয়ার পর দলের মধ্যে গ্র“পিং ইস্যু মহামারীর মতো ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুল করীমকে সাংগঠনিকভাবে কোণঠাসা করে রাখতে মরিয়া হয়ে আছে স্বার্থে অন্বেষণে বরিশাল রাজনীতিতে পেশিশক্তির পূজরীদের অভিভাবক খ্যাত গ্র“প। বিবেকের তাগিদে দ্বন্দ্ব-সংঘাত এড়াতে এমন পরিস্থিতিতে নিরুপায় হয়ে তার মতো অনেক নেতাকর্মী দলীয় কর্মকান্ড এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে চলছেন নিরন্তর। শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পরপরই কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহ জেলার পাশাপাশি মহানগরের কর্তৃত্ব নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করে স্বার্থ হাসিলের মতলবে নেতাকর্মী-সমর্থকদের বাধ্যগত রাখতে বিভিন্ন কলাকৌশলের আশ্রয় নেন তিনি। এতে অনেক আদর্শিক নেতাকর্মীরা নিজেকে গুটিয়ে রাখছেন আবার অনেকে অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য তার দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। এমন অবস্থায় যারা শওকত হোসেনের হাত ধরে রাজনীতিতে আসে এবং পদ পদবী লাভ করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায় তাদের একটি অংশকে সাদিক আব্দুল্লাহ ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের কব্জায় রাখার চেষ্টা করছে। বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা হওয়ার প্রতিযোগিতার দৌঁড়ে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে সিনিয়র থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন বরিশালের রাজনীতির মাঠে না থেকে ঢাকায় অবস্থান করে আবার কেউ বিদেশে বসবাস করে পারিবারিক রাজনীতির বলয় থেকে পদ পাওয়ার জন্য চেষ্টা করেন। তবে নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় বহুভাগে বিভক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। সভাপতি ও সাবেক মেয়র প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনের গোছানো মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আফজালুল করীমের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হিরনের জীবদ্দশায় মহানগর আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলেও ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল তার মৃত্যুর পর সাংগঠনিক কর্মকান্ড দিক হারিয়ে ফেলেছে। দীর্ঘদিন কমিটি পূর্ণাঙ্গ না করায় নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে অহরহ। যদিও হিরন মেয়র থাকাকালীন সময়েই বরিশালের রাজনীতিতে দু’টি মেরুর সৃষ্টি হয়। তখনকার সময় প্রকাশ্যরূপ ধারণ না করলেও ভিতরে ভিতরে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বাড়তে থাকে। এই ক্ষোভ ও হতাশা থেকে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর রাজনীতিতে সৃষ্টি হয় দু’টি ধারার। এর একটি ধারার নেতৃত্ব দিত হাসানাতের হাত ধরে জাতীয় পার্টি থেকে আসা শওকত হোসেন হিরন ও মহানগর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। অপরদিকে অন্য গ্র“পটির নেতৃত্ব দেন তখনকার সময় জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস ও আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর স্ত্রী শাহানারা আব্দুল্লাহ এবং তার তিন ছেলের অনুসারীরা। যার স্পষ্টরূপ শুরু হয় ২০১৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে। যদিও এই সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশের প্রবল বিরোধীতার মাঝেও ৩০টি ওয়ার্ড ও মহানগর আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকায় শওকত হোসেন হিরনের মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও আফজালুল করীমকে সাধারণ সম্পাদক করতে বাধ্য হন। এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে এবং একই এলাকার তালুকদার মোঃ ইউনুসকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০১৩ সালে জেলা ও মহানগরের সম্মেলন হলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে পায়নি পূর্ণাঙ্গ রূপ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগে গঠন করা হতে পারে মহানগর আওয়ামীলীগ। হতে পারে নতুন করে আহবায়ক কমিটি অথবা পূর্ণাঙ্গ কমিটি। কেন্দ্রীয় এক নেতার ভাষ্য অনুসারে হিরন জীবদ্দশায় মহানগর আওয়ামীলীগের খসড়া একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি করে রেখে যান। হিরনের সম্মানার্থে তার করা ওই খসড়া কমিটিকেই দেয়া হতে পারে পূর্ণাঙ্গরূপ। যার সভাপতি ছিলেন কে.বি.এস আহম্মেদ কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আফজালুল করীম। সেই কমিটির ১নং সদস্য করা হয় শহকত হোসেন হিরনের সহধর্মীনি জেবুন্নেছা আফরোজকে। যাতে শওকত হোসেনের স্থানে জেবুন্নেছা আফরোজ ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেতে পারেন। যা ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল মৃত্যুর পর হিরন শূন্যতার কারণে ফাঁকা মাঠ পেয়ে হিরনের ৩০টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের কাছ থেকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে লিখিতভাবে স্বাক্ষর করিয়ে নেন সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ। যিনি ২০০১ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমায়। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বসন্তের কোকিলের মত বরিশালের রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ করেন। সাদিক রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হওয়ার কারণে বরিশাল রাজনৈতিক মাঠ দখলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শওকত হোসেন হিরনের সাংগঠনিক দক্ষতা ও করিশমাটিক রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণে সুবিধা করতে ব্যর্থ হন এই তরুন নেতা। হিরনের মৃত্যুর পর কিছু সংখ্যক ওয়ার্ড নিয়ে একটি মহানগর বলয় তৈরী করার চেষ্টা করে এবং এতে মহানগর আওয়ামীলীগের মধ্যে বিভক্তির সৃষ্টি করে। এদিকে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে স্থান পেতে বরিশাল সদর আসনে দলীয় মনোনীত প্রার্থী কর্ণেল অব. জাহিদ ফারুক জোর লবিং চালান। যাকে সব সময় জেলা আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে দেখা যায়। অপরদিকে আব্দুর রব সেরনিয়াবাদের কনিষ্ঠ পুত্র আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ভাই খোকন সেরনিয়াবাদ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার জন্য তার আত্মীয় মহলে যোগাযোগ করতে থাকেন। স্বচ্ছ ইমেজের কারণে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কাছে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। যে কিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে হওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণ করেননি। এছাড়া বরিশাল সদর আসনে ২ বার দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থী মাহাবুব উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম যিনি ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার আমলে সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর কারণে বরিশালের রাজনৈতিক মাঠে সুবিধা করতে না পেরে বরিশালের রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছায় সরে গিয়ে মুন্সিগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি হিরনের মৃত্যুর পর বরিশালের রাজনীতিতে পূনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও বেশীর ভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন এই নেতা। বরিশালের আওয়ামী রাজনীতির শক্ত অবস্থান গড়ার পেছনে আইনজীবিদের ভূমিকা অন্যতম। আইনজীবিদের একটি বৃহৎ অংশ চাচ্ছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি, সম্পাদক তাদের মধ্যে থেকে করা হোক। এক্ষেত্রে সাবেক শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং এ্যাড. আফজালুল করীমকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আইনজীবিদের অনেকাংশের পছন্দ। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহও এ্যাড. আফজালুল করীমের মধ্যে একটি গোপন সমঝোতা হয় যে, আফজালুল করীমকে আগামী সংসদ নির্বাচনে বাবুগঞ্জ-মুলাদী আসন থেকে দলীয় মনোনয়নে সমর্থন দেবে হাসানাত আব্দুল্লাহ। এক্ষেত্রে তাকে শর্ত দেয়া হয় যে, সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহকে মহানগরের সম্পাদক পদ ছেড়ে দিয়ে আফজালুল করীমকে সভাপতি পদ দেয়া হবে। কারণ মহানগর আওয়ামীলীগের দুর্দিনে আফজালের ভূমিকার কারণে মহানগর কমিটিতে তার পদ প্রায় নিশ্চিত। বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর দেড় বছর পেড়িয়ে গেলেও তার শূন্যতা পূরণ হচ্ছেনা। তার স্থান পূরণ করার মতো যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে হলে তাকে অবশ্যই জনগণ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। হতে হবে নেতাকর্মীবান্ধব  এবং সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন। যিনি তৃণমূল পর্যায় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে বিরোধী আমলে রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন। যে অধিকাংশ সময় নেতাকর্মীদের পাশে সময় দিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের ভাগী হতে পারবেন। যার পক্ষে জেলা ও মহানগরের দীর্ঘদিনের মত পার্থক্য ও বিভেদ দূর করে বরিশাল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহত করা সম্ভব। আওয়ামী লীগের একটি বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, বরিশাল আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেষ গুটি হিসেবে জেবুন্নেছা আফরোজকে ঠেকাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ সাধারণ সম্পাদক তারই অনুসারী উজিরপুর-বানারীপাড়া আসনের এমপি তালুকদার মোঃ ইউনুসকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ল’কলেজের সাবেক ভিপি কানাডা প্রবাসী মীর আমিন উদ্দিন মোহনকে উপস্থাপন করতে পারেন। বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগে হিরনের সৃষ্টি করা আওয়ামী আদর্শিক রাজনীতি ধরে রাখতে ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজই শেষ ভরসা- এমন অভিমত বিশ্লেষকসহ সাধারণ মানুষের।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 2840 বার