October 19, 2016 1:41 pm A- A A+

বিএমপি কমিশনার মোঃ রুহুল আমিন বরিশালে অপরাধ দমনে বিচক্ষন !

ভিপি মোঃমঈন তুষারঃ

প্রদীপের নিচে অন্ধককার থাকবেই। তাই অন্ধকার সরাবার চেষ্টা না করে যারা বিচক্ষন তারা সলতে এবং আলোর উজ্জ্বলতা সাবলিল রাখবে, রাখার ব্যবস্থা করবে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ রুহুল অমিন বরিশালে অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে তেমনি বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়ে আসছে।
গত ৬ জুন তিনি বিএমপি পুলিশ কমিশনার হিসাবে কর্মস্থলে যোগ দেন। বরিশালে চলমান সময়ে অপরাধ বলতে প্রধানতঃ মাদক, ইভটিচিং । যার মধ্যে মাদক ভয়াবহ সমস্যা! খুন, অপহরন, অবৈধ অস্ত্র এসবই মাদকের টানে চলে আসে । মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা নির্ভিঘ্নে রাখতে সম্ভাব্য সব উপায় ব্যবহার করে যা জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরুপ এবং মাদকসেবীরা পাড়া , মহল্লা কিংবা বানিজ্যিক এলাকাগুলোতে অপরাধমূলক এমনসব কাজ করে যা সুশিল সমাজের দুষ্ট ক্ষত। এবং দক্ষ জনশক্তি বিকশিত হবার অন্তরায় । এসব দিকগুলো মাথায় রেখে বিএমপি কমিশনার মোঃ রুহুল আমিন তদন্ত, অপারেশন, থানা থেকে আসাী প্রেরন সুষ্ঠভাবে পরিচালনা ও পর্যবেক্ষন করে থাকেন। বিভিন্ন সচেতন মহলের মতে, জননিরাপত্তামূলক আইনের বাস্তবধর্মী প্রয়োগ বর্তমানে আরো ইতিবাচক। এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধের পরিসংখ্যান যাইহোক, অপরাধ দমন এবং অপরাদী গ্রেপ্তারে তার আমলে একটা সন্তোষজনক ফলাফল নগরবাসীরা পাচ্ছে। অপরাধ হয় সমাজবিজ্ঞান ও সাজবিজ্ঞানের আওতায়। অপরাধবিজ্ঞান দ্বারা পুলিশ কেবল মোটিভ ও সূত্র উদ্ধারপূর্বক অপরাদীকে সনাক্ত ও গ্রেপ্তারপূর্বক কথিত অপরাধীকে আদালতে পাঠাতে পারে । এখন যদি বলা হয় থানা পুলিশ থাকতে অপরাধ হয় কিভাবে? এটা কোন কথা নয়। হাসপাালে উন্ন চিকিৎসা সত্বেও রোগী মারা যায় , সেজন্য আমরা কি হাসপাতালকে ব্যর্থ বলবো।
কমিউনিটি পুলিশিং সিস্টেমএর উপযোগীতা অনস্বীকার্য । দুনিয়ায় গনযোগাযোগ ছাড়া সম্ভবতঃ একটা বিষয় সম্ভব , সেটা হোল পদ্যচর্চা। আর সব চর্চায় গনযোগাযোগ জরুরী । সিপি স্থানীয় পর্যায়ভুক্ত অধিবাসীদের সাথে প্রশাসনের নিবিড় বন্ধন তৈরী করে। যার জন্য মধ্যস¦ত্বভোগীদের কোন ধরনের তৎপরতাই ফলপ্রসূ হয়না। কমিশনার মোঃ রুহুল আমিন এই উপলদ্ধিবোধ থেকে থানা , ফাঁড়ি গুলোর পাশাপাশি সিপিএস এর ব্যাপারে বিশেষ মনিটরিং সেল দ্বরা পর্যবেক্ষন এবং যথাযথ নিয়ন্ত্রন করছেন।
উল্লেখ্য যে , মোঃ রুহুল আমিন এর পূর্বে ছিলেন রেল পুলিশের ডিআইজি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীরা বিস্তৃত নেটওয়ার্ক দ্বারা এসমস্থ অপরাধ সংঘটিত করে থাকে। জনগনের সহযোগীতা ছাড়া পুলিশের একার পক্ষে এর প্রতিরোধ কি সম্ভব? ৪টি থানাব্যাপী সিপিএস কার্যক্রম জোড়দার করা হয়েছে । শীঘ্রই একে আরো বৃহৎ পরিসরে সামাজিকীকরনের দিকে নেয়া হবে।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 2204 বার