October 23, 2016 2:58 pm A- A A+

“জয় বাংলা”শ্লোগান দিয়ে মাতিয়ে রেখেছে যারা

বরিশালের ছাত্ররাজনীতি বাংলার ভ্যানিস খ্যাত বরিশালের ছাত্ররাজনীতিতে আবারও দেখা দিয়েছে নানা ধরনের জটিলতা। রাজপথে যারা যোদ্ধা হিসেবে দীর্ঘদিন ছিলেন,তাদেরকে সাইট করে নতুন অংক কষতে চাইছেন সুযোগ সন্ধানিরা। দীর্ঘ ১১ বছর রাজপথে যারা অতন্দ্র প্রহরীর মত ছাত্রলীগের রাজনীতি করে “জয় বাংলা”শ্লোগান দিয়ে মাতিয়ে রেখেছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীদের, তাদেরকে রক্তচক্ষু দেখাতে চাইছেন দলের সু-সময়ের সুযোগ সন্ধানিরা। বিগত বি এন পি-জামায়াতের ৪ দলীয় ঐক্যজোটের শাসন আমলে দুঃসাহসী ছাত্রলীগের কর্মীরা,যারা দলের জন্য সহ্য করেছেন জেল,জুলুম, মামলা, হামলা ও নির্যাতন। তাদের শ্রমের দাম ভুলে যেতে চাইছেন এই নবাগতরা। এখন প্রশ্ন রাখছি কোথায় ছিলেন আপনারা?যখন রাজপথ কর্দমাক্ত ছিলো।কে কি ঝুঁকি নিয়েছেন দুর্দিনে দলের জন্য। আমরা দুর্দিনে যাদেরকে “জয় বাংলা” শ্লোগান দিতে দেখেছি, সংগঠনের দীর্ঘদিনের কর্মী হিসেবে আজও তাদের কথা বলছি। তৎকালীন ঐক্যজোটের সরকারের আমলে যারা ছাত্রলীগের কর্মীদের পাশে ছিলেন,তাদেরই একজন ছাত্রনেতা মোঃ মঈন তুষার। তার চির শত্রুও বলতে পারবেনা যে দলের দুর্দিনে মঈন তুষার রাজপথে অনুপস্হিত ছিলো। বরঞ্চ ১১ বছরে বরিশালের ছাত্ররাজনীতিতে তিনিই ছিলেন প্রধান শিরোনামে। বরিশালে আওয়ামী পরিবারের সৌ ভাগ্যের তিলক নিয়ে যখন প্রয়াত নেতা শওকত হোসেন হিরন ভাইয়ের বীরের বেশে আবির্বাব ঘটেছিলো, স্বাধীনতার পর এটাই ছিলো বরিশালে আওমীলীগের প্রথম প্রাপ্তি। হিরন ভাইয়ের আস্হাভাজন হওয়ায় তিনি হতে পেরেছিলেন বিএম কলেজ ছাত্রসংসদ (বাকসু) ‘র ভি.পি। বরিশালকে হিরন ভাই অনেক কিছু দিয়েছেন,আজ হিরন ভাই নেই কিন্তু ইতিহাস রয়ে গেছে। একটি কথা বলে যাওয়া দরকার, রাজপথ থেকে যাদের শরীরের ঘাম এখনও শুকায়নি তাদেরকে পদদলিত করে আর যাই হোক সংগঠন হয়না। তারা অসম্মানিত হলে একদিন ইতিহাসও এর প্রতিদান দেবে। সত্যের জয় নিশ্চয়ই আসবে।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 6430 বার