April 8, 2018 8:51 pm A- A A+

ফায়দা লুটছে তিন পক্ষ : বেকায়দা চালকরা:সংঘর্ষের আশংকা

বাণী ডেস্কঃ

এইচ এম হেলালঃ
বরিশাল নগরীতে রিক্সা ও ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা চালকদের মধ্যে অদৃশ্য প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।অবশ্য এ প্রতিযোগিতা এতোদিন প্রকারান্তরে চললেও এখন তা প্রকাশ্যেই লক্ষ্য করা গেছে।এক পক্ষের দাবী ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা বন্ধ করা হোক,অন্য পক্ষের দাবী অটোরিক্সার লাইসেন্স প্রদান করা হোক।তবে এ দুটিকে পক্ষকে ঘিরে ফায়দা লুটছে কেউ কেউ।আবার চালকদের মধ্যেও অনেকে দুটি পক্ষের সাথে ব্যালেন্স করে চলছে। এদিকে অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে দাড়িয়েছে যে,এ দুটি পক্ষের মধ্যে যে কোন সময় সংঘর্ষের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।সূত্রে জানা গেছে,প্রায় ৪ বছর পূর্বে অন্যান্য জেলা শহরের ন্যায় বরিশালেও ব্যাটারি চালিত মেট্রোরিক্সা চলাচল শুরু করে।শুরুর দিকে এ রিক্সার কারণে নগরীতে দুর্ঘটনার পরিমান বেড়ে যাওয়া এবং বিদ্যুতের অতিরিক্ত লোডের অজুহাত তুলে বছর খানেক পর বিসিসি এবং ট্রাফিক বিভাগের যৌথ অভিযান শুরু হয়। সে সময় অভিযানে অনেক রিক্সা আটক হলে নগরী ছেড়ে চলে যায় অটো/মেট্রোরিক্সা।অনেকে এজন্য লোকসানের মুখে পড়লেও নিরুপায় হয়ে মূলধন সংগ্রহের জন্য অল্প মূল্যে সেগুলো বিক্রি করে দেয়। গত বছর খানেক পূর্বে পুনরায় নগরীতে অটোরিক্সা চলাচল শুরু করে। বর্তমানে নগরীতে প্রায় ৩ সহস্রাধিক ব্যাটারী চালিক অটোরিক্সা রয়েছে।
সম্প্রতি পায়ে চালিত রিক্সাচালকগণ অটোরিক্সার বিরুদ্ধে একত্রিত হয় এবং একটি কমিটিও গঠন করে। ওই কমিটির ব্যানারে তারা ইতোমধ্যে নগরীতে বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে কর্মসূচি পালন করে। এছাড়া তারা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও ট্রাফিক বিভাগের সাথেও বৈঠকে মিলিত হয়। তাদের দাবী নগরী থেকে ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা উঠিয়ে দিতে হবে। অপরদিকে অটোরিক্সা চালকগণ পূর্বেই একটি কমিটি গঠন করে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন বিসিসি’র সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ড. মনীষা চক্রবর্তী। তার নেতৃত্বে ব্যাটারী চালিত রিক্সাচালকগণও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এছাড়া তাদেরকে লাইসেন্স প্রদানের জন্য বিসিসি মেয়রের কাছে দাবী জানায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে,ড.মনীষা চক্রবর্তী তার কমিটির আওতায় রিক্সাচালকদের পরিচয়পত্র প্রদান করেছেন। যারা পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছেন তাদের রিক্সা আটক করা হলে তিনি তা ছাড়িয়ে আনারও ব্যবস্থা করেন। এজন্য প্রতি চালকদের কাছ থেকে ৩০ টাকা হারে চাঁদা সংগ্রহ করেন তিনি। একাধিক অটোরিক্সা চালক জানান, মিছিল,মিটিং ও মাইকিং করতে খরচ লাগে তাই ৩০ টাকা করে প্রতিমাসে চাঁদা দেই। এদিকে যারা চাঁদা দেয়না কিংবা সদস্য পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেনি তাদের রিক্সা আটক হলে তিনি তা ছাড়িয়ে আনতে যান না। বেশ কিছু রিক্সাচালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা দুটি পক্ষেই আছেন।এক প্রশ্নের জবাবে তারা জানান,সুবিধা যেখানেই পাব,সেখানে থাকব।
প্রিয় পাঠক এ বিষয়ে অজানা তথ্য জানতে চোখ রাখুন
বাংলাদ …

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 332 বার