April 22, 2018 10:57 am A- A A+

নোংরা রাজনীতি প্রতি হিংসার স্বীকার হবে আর কত ছাএলীগ নেতারা!

অলক সেরনিয়াবাদ:

নেতায় নেতায় যুদ্ধ লাগে, প্রাণ যায় কর্মীর। চট্টগ্রাম ও বরিশালের অবস্থাটা এমন হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন এখন অনেকের। মরহুম সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন ও হিরনের বিপক্ষে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন এই দুই ছাত্রলীগ নেতা। এদের একজন হল ছোট মহিউদ্দিন খেতাব প্রাপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর ছাএলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল আজম রনি অপরজন হলো বরিশালের সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের স্নেহধন‍্য দক্ষিণ অঞ্চলের ছাএ রাজনীতির অংহকার বি এম কলেজের ভিপি মোঃ মঈন তুষার।এরা দুজনেই তৃন‍মূল থেকে উঠে এসে বিরোধী দলের সময় ও ওয়ান ইলেভেনের সময় রাজপথে থেকে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলন করে। জামায়াত শিবিরের হামলা মামলার শিকার হয়েছেন।এই দুই ছাএনেতাই মনে করে জীবিত মহিউদ্দিন ও শওকত হোসেন হিরনের চেয়ে মৃত মহিউদ্দিন ও হিরন অনেক শক্তিশালী।তারা শোককে শক্তিতে পরিনত করে সামনের দিকে আগাতে চেষ্টা করেছিল।হয়ে উঠেছিল আদর্শ ছাএনেতা। ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজম একজন সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের নেতা কতটা মনের কষ্টে পদত্যাগ পত্র দিতে পারেন, আশাকরি এতটুকু অনুধাবণ করার অবস্থা রাজনীতিবিদদেরও রয়েছে।রনি সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি, তাতে ঠোঁটকাটা স্বভাবের এই ছাত্রনেতা অনেকটা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের মত। সম্প্রতি ঘটনা সম্পর্কে রনির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি নোংরা রাজনীতির প্রতিহিংসার স্বীকার। আমি চাই দেশ রত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যথাযত তদন্ত।কারণ তিনিই আমার একমাত্র অভিভাবক।প্রতিহিংসার রাজনীতি না করে এসব নেতাকর্মীরা এখনো হিরণের শেখানো পথ ধরে নিজ স্বার্থ ভুলে গিয়ে দলকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তবে এখনকার মুষ্টিমেয় শাসক দলের কয়েকজন নেতা হিরণের আদর্শের রাজনীতিতে বড় বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে। তারা মূলত দলকে ভালবাসেন না, নিজেদের আখিরাত গোছাতে সর্বদা স্বার্থান্বেষি কাজ করে যাচ্ছেন। যা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনার উদাহরন। যা হোক সব বাঁধা, বিঘ্ন উপেক্ষা করেই হিরণের সুনাম ধরে রাখতে অবিরাম দলের জন্য কাজ করছেন অধিকাংশ নেতা কর্মীরা। এর মধ্যে বি এম কলেজ ( বাকসুর ) ভিপি মো: মঈন তুষার। এখনো হিরণের শেখানো রাজনীতির প্রতি সন্মান দিয়ে হাজারো বাধা বিপত্তির তোয়াক্কা না করে কাজ করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য ,হিরণের মৃত্যুর পরই একটি মহল তার অনুসারীদের ওপর অত্যাচারসহ দল থেকে তাদের কোনঠাসা করে রাখতে সর্বদাই চেষ্টা করেছে। এখনো করে যাচ্ছে।
অপরদিকে যতই চাপ আসছে না কেনো সব পিছনে ফেলে ভিপি মঈন তুষার হিরণের শোককে শক্তি হিসেবে কাজে লাগিয়ে বরিশাল আ`লীগকে শক্তিশালী করার লক্ষ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এমতাবস্থায় হিরন ষড়যন্ত্রকারীদের কাছ থেকে হামলা মামলার শিকার হয়েও হিরণের আদর্শ থেকে তারা এক বিন্দুও নড়েনি। যা তাদের কর্মে প্রমানিত হয়।হিরণের প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এরা বদ্ধপরিকর। এ ব্যাপারে বাকসুর ভিপি মঈন তুষার বলেন,হিরণ ছিলেন বরিশাল আওয়ামীলীগের অভিভাবক।তার আদর্শ ধরে রেখেই দলের জন্য কাজ করে যাবো, এতে যতই বাঁধা আসুক না কেনো পিছুপা হবো না।
গ্রুপিংয়ের রাজনীতি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির জন্ম হবার পর থেকে হাজারো প্রতিভাবান ছাত্রকে কেড়ে নিয়েছে। এভাবে রনি ও তুষারদের বলির পাঁঠা বানানোর শেষ কোথায়?

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 2091 বার