May 3, 2018 6:20 pm A- A A+

একজন আল-নাহিয়ান খান জয় ও দক্ষিনাঞ্চলের সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের স্বপ্ন।

বাণী ডেস্ক :

২০০১ সালের ১লা অক্টোবর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা বিএনপি-জামাত জোট এর ঠিক দেড় বছর পর ২০০৩ সালের ২০শে মার্চ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও সমমনা দল গুলোর সমর্থনে (১৪ দল তখনও গঠন হয়নি) নাগরিক পরিষদের ব্যানারে মাছ মার্কা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হন এ্যাডঃ এনায়েত পীর খান তার প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী তৎকালীন সময়ে দক্ষিণাঞ্চলের গডফাদার ও বরিশাল পাঁচ আসনের তখনকার প্রার্থী সরোয়ার। ক্রস ফায়ারে নিহত সন্ত্রাসী ছাত্রদলের বি.এম কলেজের সাবেক ভিপি সেন্টু, ক্রসফায়ারে নিহত আরেক সন্ত্রাসী যুবদল নেতা আলেকান্দার মেহেদী, নাজিরাপোলের শীর্ষ সন্ত্রাসী যুবদল নেতা আকবরদের কারনে প্রথমে আওয়ামীলীগের প্রার্থী এ্যাডঃ এনায়েত পীর খানের মাছ মার্কার প্রচার ও মাইকিং যখন প্রায় অসম্ভব তখন জিলা স্কুলের সাদা পোশাক পড়ে আমি তৌফিক সর্বপ্রথম রিক্সায় করে আওয়ামীলীগের প্রার্থী এনায়েত পীরের মাছ মার্কার সমর্থনে মাইকিংয়ে নামি। একটু বলে রাখি জিলা স্কুলের পোশাক পড়ে মাইকিংয়ে নামার অন্যতম কারন ছিল বিএনপির ক্যাডার সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করলে জিলা স্কুলের ছাত্র হিসেবে মার কিছু কম হবে। তখনকার সময়ে আমাকে যারা সাহস দিত আজ তাদের মধ্যে অনেকেই রাজনীতি থেকে দূরে আর জিলা স্কুলের বন্ধুদের মধ্যে যারা আমার পাশে থাকত তাদের অনেকেই এখন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এদের মধ্যে আল-নাহিয়ান খান জয় বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন সম্পাদক,ওমর ফারুক সদস্য,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি,নিক্সন সজিব সেক্রেটারি ২৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ বরিশাল মহানগর।তবে মাইকিং করার সময় প্রায় আল-নাহিয়ান খান জয় আমার সঙ্গে থাকতেন। বিএম কলেজের সামনে দিয়ে মাইকিং করার সময় ক্রসফায়ারে নিহত সন্ত্রাসী বি.এম কলেজের তখনকার ভিপি সেন্টু,জিএস বাদল,আতাউর রাব্বিসহ একাধিক সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হই আমি ও আল-নাহিয়ান খান জয়।পরবর্তীতে তৎকালীন বিএম কলেজ ছাত্রলীগেরর যুগ্ন আহবায়ক মঈন তুষার(বর্তমানে বি.এম কলেজের ভিপি) ও সুরুজ সিকদার সাবেক যুগ্ন আহবায়ক বিএম কলেজ ছাত্রলীগ (বর্তমানে প্রবাসী) এগিয়ে এলে আমি ও আল-নাহিয়ান খান জয় প্রানে বেঁচে যাই তবে আমাকে কানে ধরে বলতে হয় যে আমি আর আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পক্ষে মাইকিং করব না।তারপর একদিন বিরতি দিয়ে আবার মাইকিং শুরু করি তবে ভুলেও বি.এম কলেজের আশে পাশ দিয়ে মাইকিং করতাম না।২০শে মার্চ নির্বাচনের দিন হালিমা খাতুন স্কুল কেন্দ্রে আওয়ামীলীগ প্রার্থী এনায়েত পীরের পক্ষে ভোট চাই।এরপর ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সফরে আসা উপলক্ষে আবারো মাইক হাতে আমি ও আল-নাহিয়ান খান জয় রাস্তায় নামি।২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর লগি বৈঠার আন্দোলনের দিন জিলা স্কুলের সামনের গেইটে লাগানো খালেদা জিয়া,তারেক জিয়া আর গডফাদার সরোয়ারের সকল ব্যানার আমরা অপসারন করি।এখনকার সময়ের মত সবার হাতে যদি ক্যামেরা মোবাইল থাকত তখন তাহলে স্মৃতি হিসেবে অনেক কিছু দেখাতে পারতাম।২০০৮ সালে ওয়ান ইলেভেন চলাকালীন সময় বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচনের সময় আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী সাবেক সফল মেয়র শওকত হোসেন হিরনের টেলিভিশন মার্কার পক্ষে আবারো আমি ও আল নাহিয়ান খান জয় একসাথে রাজপথে নামি মাইকিং করতে বি.এম কলেজের বর্তমান ভিপি মঈন তুষার ভাই,জেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি রাজ্জাক ভাই এবং বরিশাল মহানগরের ১৬ নং ওয়ার্ডের তৎকালিন আওয়ামীলীগ নেতা যারা এখন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে আছে তারা এখনো জীবিত সাক্ষি আছে সেই স্কুল জীবন থেকেই প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পরে আল-নাহিয়ান খান জয়।পরিবারিকভাবে আল-নাহিয়ান খান জয়ের তিন পুরুষ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।আল-নাহিয়ান খান জয়ের দাদা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং যুদ্ধে প্রত্যক্ষ ভুমিকা পালন করেন।জয়ের দাদা জনাব মোশারেফ হোসেন খান ভোলা জেলার মনপিরা,তজুমুদ্দিন থানার রেভিনিউ সার্কেল অফিসার ছিলেন।তিনি বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগি ছিলেন।আল-নাহিয়ান খান জয়ের দাদা মোশারেফ হোসেন খান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে বাবুগঞ্জ,উজিরপুর,গৌরনদী ও মুলাদী থানার মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগের অন্যতম অর্থদাতা ছিলেন।আল-নাহিয়ান খান জয়ের বাবা আব্দুল আলিম খান বিশিষ্ট সমাজ সেবক বরিশাল বিভাগের গরীব মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষে ১৯৮৩ সাল থেকে উপ-বৃত্তি চালু করেন তিনি আশির দশকে ঢাকায় বৃহত্তর বরিশাল ছাত্র সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ছিলেন।তিনি বরিশালে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির আহবায়ক ছিল।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 994 বার