May 9, 2018 7:27 pm A- A A+

নেছারাবাদে ডাক্তারকে জিম্মি,অতঃপর চাঁদাবাজি

অনলাইন ডেস্ক :

নেছারাবাদ উপজেলার মধ্যে সাধারণ রোগীদের কাছে এক দেবতার আর্বিভার ঘটেছে পিরোজপুর জেলাসহ সমগ্র নেছারাবাদের উপজেলায়।ভান্ডারিয়ার কৃতি সন্তান বর্তমানে প্রতিবেশী দেশ ভারত হতে চিকিৎসা সেবায় এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে মানব সেবায় নিয়োজিত ছিল।দেশের টানে প্রায়ই সেবা দিয়ে আসছেন রোগীদের কাছে আস্থার পাত্র ডাঃ বিধান রায়।এদিকে মানব সেবার টানে এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি চিকিৎসা সেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে আয়ুর্বেদি (কবিরাজি) চিকিৎসায় স্নাতক ডিগ্রি নেন এই ডাক্তার (তিনি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এর একজন সন্মানিত মেম্বর।আর সে ধারা অব্যাহত রেখে গতমাসে ডাঃ বিধান রায় স্বরূপকাঠীর জলাবাড়িতে আসেন জহর লাল ঘোষের বাড়ীতে।জলাবড়ি এলাকায় সবকিছু ঠিকঠাক মতই চলছিল ডাক্তারী সেবা নিয়ে।এলাকার সাংবাদিকরা সহ বহু গণ্যমান্যরা রোগী নিয়ে আসেন ডাঃ বিধান রায়ের কাছে।সরেজমিনে দেখা গেছে জলাবাড়ি এলাকায় ডাক্তারের চেম্বারে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড় করতে থাকে রোগিরা।ডাক্তার রোগীদের ঔষধ দেন নির্ধারিত টাকার বিনিমিয়ে।অবশ্য ডাঃ বিধান রায় এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক হলেও এদিন রোগীদের রোগ নির্ধারন করে কাউকে এ্যালোপ্যাথি আবার কাউকে কবিরাজি ঔষধ দিয়ে।রোগী দেখতে দেখতে ক্লান্তি বোধ করছিল।তারপরও রোগীদের কথা চিন্তা করে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত রোগী দেখার সিদ্ধান্ত নেন জনপ্রিয় চিকিৎসক।আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কামারকাঠীর মাদকে আসক্ত ও ইয়াবা ব্যবসায়ী প্রয়াত মালেক মেম্বরের ছেলে ও বর্তমান কামারকাঠীর ইউপি সদস্য মাসুমের সৎ ভাই রংবাজ ও চাঁদাবাজ সোহাগ ও তার ক্যাডার বাহিনী এক ধরনের নিল নকশা করেন।ডাক্তারকে তার বাড়ী ভান্ডারীয়ায় বাইকে করে এগিয়ে দেয়ার ছলে সাথে করে নিয়ে যান।আর নিল নকশার সূত্র ধরেই সোহাগ ও তার বাহিনী ডাক্তার বিধান রায়কে জিম্মি করে।জলাবাড়ি থেকে বিদায় নেওয়ার পর পরই নাপিতখালিতে সোহাগের গুন্ডা বাহিনী কোন কিছু আঁচ করার আগেই চিকিৎসকের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন বলে ডাঃ বিধান রায় গণমাধ্যমকে জানান।সন্ত্রাসী কায়দায় ডাক্তারকে দু-চারটি চড়থাপ্পড় দেন বলে ডাক্তারের সহযোগীরা জানান।প্রাণের ভয়ে ঐ সময়ে রোগী ও ঔষধের প্রায় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে কোন মতে প্রানে বাঁচেন। সন্ত্রাসীদের হামলা ও মৃত্যুর ভয়ে ডাঃ বিধান রায় সন্ধ্যার পর এক ধরনের পালিয়ে যান।তবে পরের দিন সমস্ত ঘটনা জেলা পরিষদসহ জেলা পুলিশ প্রশাসন,জনপ্রিয় পিরোজপুরের মেয়র এম এ মালেকের শরনাপন্ন হন।সর্বশেষ সোহাগের মাস্তানীর ঘটনা নেছারাবাদের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসন অভিযোগের অভাবে কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা নিতে হিমশিম খাচ্ছেন।তবে ঘটনার শতভাগ সত্যতা রয়েছে বলে কামারকাঠীর সর্বমহলসহ নেছারাবাদের বিজ্ঞ মহল ঘটনার সত্যতা রয়েছে বলে মিডিয়াকে জানান।এ ব্যাপারে চাঁদাবাজ ও মাদকাসক্ত সোহাগের বিচার দাবী সর্বমহলের।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 28 বার