May 11, 2018 6:23 pm A- A A+

বরিশাল- ২ আসন উজিরপুর-বানারীপাড়ার নৌকার মাঝি হচ্ছেন গোলাম ফারুক

বানী ডেস্কঃ

সন্ধ্যা নদীতীরের উপজেলা উজিরপুর আর বানারীপাড়া।এই দুই উপজেলা নিয়েই বরিশাল-২ আসন।উজিরপুরের প্রায় অর্ধেকটাই বিল এলাকা।চারটি ইউনিয়নই পড়েছে এ এলাকায়।সেখানকার বেশির ভাগ বাসিন্দাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।ভোটের পরিসংখ্যান বলছে,সেখানে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকও বেশি।আবার পৌর এলাকাসহ অন্য পাঁচ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকেন।তবে বানারীপাড়ায় ভোটের শক্তিতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমানে সমান।এসব বিবেচনায় প্রতীক বিবেচনায় ভোটের মাঠে বড় দুই দলের কোনোটিই খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই।এ আসনে জয়-পরাজয়ের বিষয়টি নির্ভর করে প্রার্থী নির্বাচনের ওপরও।জয়ের ক্ষেত্রে দলীয় সমর্থনের পাশাপাশি ব্যক্তি ভাবমূর্তিও এখানে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এহেন পরিস্থিতিতে সর্বস্তরের জনগন ও তৃর্ণমূল নেতাকর্মীর কাছে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় নাম গোলাম ফারুক।মনুষ্য সেবাদানই তার ধর্ম এমন একটা ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে।আওয়ামী লীগের অতীতের নিভু নিভু প্রদীপের শিখা জ্বলে ওঠার নেপথ্যে গোলাম ফারুকই মূল ভুমিকায় রয়েছেন।দীর্ঘ পথে নিজেকে সংকল্পবদ্ধ করে বানারীপাড়া উপজেলাকে গড়ে তুলেছেন অনিন্দ্য সাজে-উন্নয়ণের ফিরিস্তি টেনে তা পরিমাপ করা যাবে না।সত্য,সরল,সাবলীল জীবনাচরণে অভ্যস্ত গোলাম ফারুক সেই স্বপ্ন দেখেন যে স্বপ্ন নিজে বাস্তবায়ন করার সামর্থ্য রাখেন।দুর্দান্ত মনোবলের ওপর নির্ভর করে রাজনীতির কঠিনতম এক লড়াইয়ে সব হিসাব নিকাশ ওলটপালট করে দিয়ে বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান হন গোলাম ফারুক।২০০৬ সালে রাজনীতির ময়দানে সেই থেকে শুরু।দলীয় প্রতীক বা সমর্থনের কোন বালাই না থাকলেও সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দীন সরকারের অধীন সেই উপজেলা নির্বাচনে গোলাম ফারুকের পক্ষে আওয়ামীলীগের সায় ছিলো না,বরং আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী ছিল সেই তাদের বিপরীতে গোলাম ফারুকের জয় ছিল বিস্ময়কর।তার জয়ের মধ্য দিয়েই মূলত আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।তার চেয়েও বড় সত্য- ইচ্ছাশক্তি ও একাগ্রতা থাকলে অভিজ্ঞতার ঘাটতিও যে পূরণ করা যায় তা,নিরন্তর কর্মের মাধ্যমে দেখিয়ে দিচ্ছেন গোলাম ফারুক।মানুষের কল্যাণে সেবাব্রত এ উপজেলা চেয়ারম্যান সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের এককপ্রার্থী হয়ে বীরত্ব ও বিরল কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।বরিশাল বিভাগের সেরা উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন তিনি।উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নয়,গোলাম ফারুক তৃর্ণমূলের নেতাকর্মীর কাছে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় নাম।একমাত্র নেতা যিনি কর্মীদের সুখ-দুঃখের সাথী।মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের অতি স্নেহধন্য হয়ে ওঠা গোলাম ফারুক ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছিলেন।স-ুদৃষ্টিতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনারও।এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে চূড়ান্ত বরিশাল বিভাগের সেরা উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক এটা এখন সময়ের দাবী।এ বিষয়ে
গোলাম ফারুকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বাংলাদেশ বাণীকে বলেন,‘তৃণমূলের সহযোগিতায় পরপর তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি।দলীয় নেতাকর্মীরা চাচ্ছেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি।আমার রাজনৈতিক অভিভাবক এবং দলীয় সভানেত্রী যা সিদ্ধান্ত দেবেন তা-ই আমি মেনে নেব।তিনি আরো বলেন বললেন,রাজনীতি মানুষের জন্য।সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার যে প্রত্যয় নিয়ে আমি যাত্রা করেছি তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন অনুগামী সৈনিক হিসাবেই।রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার একজন কর্মী হিসাবে রাজনীতির ময়দানে আছি,থাকবো আমৃত্যু।শুধু বলবো সফলতা ব্যর্থতা মূল্যায়ন করলে সাইরাসের ভাষায় বলবো-‘বিচক্ষণ ব্যক্তি নিজের মনের মালিক এবং মুর্খ ব্যক্তি মনের কৃতদাস।’দুশ্চিন্তাহীন,সন্ত্রস্তহীন এক মুজিবপ্রেমী,অদম্য স্বপ্নচারী তৃর্ণমূল পর্যায়ের এক জননন্দিত আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ফারুকের মুখে শোনা গেলো এ তেজস্বী কথাটি।অপরদিকে বরিশাল-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষে যখন দ্বিধা-দ্বন্দে জর্জরিত ঠিক তখন শাসকদল আওয়ামীলীগের প্রতীক নৌকার পালে হাওয়া লাগাতে সাংগঠনিক শক্ত প্রার্থী গোলাম ফারুকের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 1127 বার