May 14, 2018 9:51 pm A- A A+

চু‌রির অপবাদে গা‌ছের সঙ্গে শিকল ও গামছা দিয়ে বেঁধে বাবা-ছেলেকে নির্মম নির্যাতন

অনলাইন ডেস্কঃ

শরীয়তপুর সদর উপ‌জেলার উত্তর চন্দ্রপুর গ্রা‌মের খোকন মোল্লা ও তার ১০ বছরের ছে‌লে শামীম‌কে চু‌রির অপবাদ দি‌য়ে গা‌ছের সঙ্গে শিকল ও গামছা দিয়ে বেঁধে নির্মম নির্যাতন করার অভি‌যোগ উঠে‌ছে।অভিযোগ‌টি উঠে‌ছে উত্তর চন্দ্রপুর গ্রামের প্রভাবশালী হালিম বেপারী,করম আলী বেপারী ও সাহেব আলী বেপারীর ‌বিরু‌দ্ধে।এই প্রভাবশালীদের ভয়ে মামলা করতে পারছেন না নির্য‌াতিত খোকন মোল্লার প‌রিবার।গত ৯ মে এ ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় সন্তোষপুর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে শিশু শামীম ও তার বাবাকে উদ্ধার করে।বর্তমানে তারা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।এ ঘটনায় ছয়দিন পার হ‌লেও এখ‌নো মামলা হয়নি।নির্যাতিতরা সদর উপজেলার উত্তর চন্দ্রপুর গ্রামের ভ্যানচালক খোকন মোল্লা ও তার ছেলে চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শামীম মোল্লা (১০)।নির্যাতিত খোকন মোল্লার স্ত্রী ফাহিমা জানান,গ্রামের হালিম বেপারীর বাড়িতে শবেবরাতের (গত ৮ মে) রাতে চুরির ঘটনা ঘটে।এর পরদিন সকালে তার ছেলে শামীমকে চু‌রির অপবাদ দি‌য়ে ধরে নিয়ে হালিম বেপারীর বাড়ির কাঁঠাল গাছের সঙ্গে কোমরে লোহার শিকল লাগিয়ে গামছা দিয়ে হাত পিছমোড়া করে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেদম মারপিট করা হয়।এর কিছুক্ষণ পর খোকন মোল্লাকেও ধরে নিয়ে শিকলে বেঁধে বেদম মারপিট করা হয়।এ বিষয়ে খোকন মোল্লা বলেন,চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমার ছে‌লে‌কে ধরে নিয়ে লোহার শিকল ও গামছা দিয়ে হাত গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর ক‌রা হয়েছে।আমি ভ্যান চা‌লি‌য়ে ওই বা‌ড়ির সাম‌নে দি‌য়ে যা‌চ্ছিলাম তখন আমাকেও ধরে নিয়ে হালিম বেপারীরা শিকল দিয়ে বেঁধে মারপিট করেছে।আমি গরিব। প্রভাবশালীদের ভয়ে মামলা করতে পারছি না।আমি ওই প্রভাবশালী‌দের বিচার চাই।সন্তোষপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো:জাহাঙ্গীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার ক‌রে বলেন,ঘটনা শোনার পর ঘটনাস্থ‌ল থেকে শিশু শামীম ও বাবাকে তা‌দের উদ্ধার ক‌রি।ওই প‌রিবার‌কে পালং মডেল থানায় মামলা করার পরামর্শও দিয়েছিলাম।শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন বলেন,ঘটনাটি আমি শু‌নেছি।তদন্ত ক‌রে সত্যতা পে‌লে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হ‌বে

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 39 বার