May 25, 2018 8:20 pm A- A A+

বিষাক্ত সাপের ছোবলে ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুর

এইচ এম হেলাল :

বরিশালে এক সময়ের রুপকার প্রয়াত শওকত হোসেন হিরন এর উপর আস্থা ছিলো ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুর বাসীর,কোন কমতি ছিলোনা তাদের ভালোবাসায়।তাদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছিলেন প্রয়াত শওকত হোসেন হিরন।পলাশপুরবাসীর দাবী ছিলো তারা যেন ভালোভাবে হাটাচলা করতে পারেন পাশাপাশি রাতের আঁধারে ছিনতাই থেকে মুক্তি পাওয়া,ছিনতাই থেকে রেহাই পেলেও পায়নি সঠিক ভাবে হাটা চলার পথ।এমন অভিযোগ যেন সাড়ে তিন হাজার পরিবারের।পলাশপুর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডে ঘেরেরপাড় নামক স্থানে ১২ ফুট প্রস্থ ও দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০০ ফুট রাস্তা করে দেয়ার আশ্বাস দেন প্রয়াত শওকত হোসেন হিরন।কিন্তু হাজারো পরিবারের হাটার পথ আটকে দিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাইনুল ইসলাম।বিএনপি পন্থি কাউন্সিলর মাইনুল সাড়েতিন হাজার পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে দিলেন।এমন অভিযোগ পাওয়া মাত্র মাঠে অনুসন্ধান টিম,বিএনপি পন্থি মাইনুল তাদের দিঘি ভরাট করে বেশি টাকায় বিক্রি করার জন্য সড়কের মূল ফটক আটকে দেন ।সুচতুর মাইনুল সেখানে একটি মসজিদ ও মাদ্রাসা ঘর তুলে দেন যদিও মসজিদ,মতিনপুর হাফেজিয়া নুরানী মাদ্রাসাটি অনেক আগের প্রতিষ্ঠান।একাধিক ব্যক্তি জানান,নিজ জমি বিক্রি করার জন্যই সড়কের মূল ফটক আটকিয়ে মাদ্রাসার কক্ষ বাড়িয়ে দেন ,এতে যেন সাধারন মানুষ মনে করেন তিনি অতি ভালো কাজ করার জানান দেয়।কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় এখানে,নির্বাচিত হয়ে খালাস কাউন্সিলয়ার মাইনুল!কারন নিজ ওয়ার্ডের উন্নয়ন না করে,অন্যের জমি দখল করার মিশনে ব্যস্ত থাকেন।সুত্র বলছে,মাইনুল বিএনপি নেতার ভাতিজা হওয়ার সুবাদে ওয়ার্ডে যা ইচ্ছে তাই করে বেরাচ্ছে।পলাশপুর ওয়ার্ডবাসি আতংকে দিন রাত কাটাচ্ছেন কারন কখন যেন সাপের ছোবল তাদের জমিতেও পরে।মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান রহমান যেন ভিন্ন কথা বললেন,আমাদের মাদ্রাসায় ছাত্র সংখ্যা ২৫০ জন,এতে বাড়তি কক্ষের দরকার হয়না তবুও কমিশনার সাহেব ঘর উঠিয়ে দিয়েছেন।ধুরন্দর মাইনুল দিঘি ভরাট করে প্লাট আকারে বিক্রি করার জন্য ৬ ফুট আকারে একটি সড়ক তৈরি করেছে যাহার মূল ফটক রেখেছে বাবুল সিকদারের বাড়ির মাঝ থেকে এতে ওই বাড়ির অধিকাংশ চলে যাবে সড়কে।কিছু দিন আগে বাবুল সিকদার নিজ বাড়ির দেয়াল দিতে গেলে তাকে বাধা হুমকি প্রদান করে মাইনুল।এমন অভিযোগ হাজারো পরিবারের।এবিষয় কাউন্সিলয়ার মাইনুলের সাথে সাক্ষাত কালে তিনি বলেন,আমি বাবুল সিকদারকে আমার বাসায় ডেকে রাস্তার বিষয় কথা বলছি,কিন্তুু বাবুল সিকদার আমার কথা শোনেনি।অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,বাবুল সিকদারের ঘর সরাতে যত টাকা লাগে তাও আমি বহন করব এমন কি ঘরের ভিতর থেকে যতটুকু জমি রাস্তায় যাবে সেই জমি অন্য এক জাগায়া থেকে দিব।তিনি এও বলেন,বাবুল সিকদারের ঘরের টিনের পানি আমার জায়গায় পরে,তার ঘরের ময়লা পর্যন্ত আমার জমিতে ফেলে।প্রিয় পাঠক,কাউন্সিলর মাইনুলের ফিরিস্তি জানতে চোখ রাখুন ……

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 48 বার