May 26, 2018 7:54 pm A- A A+

দেশে ৫ থেকে ৭ লাখ কোটি কালো টাকা!

বানী ডেস্ক :

দেশে বর্তমানে আনুমানিক কালো টাকার পরিমাণ ৫ থেকে ৭ লাখ কোটি উল্লেখ করে আসন্ন বাজেটে এ অর্থ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধারের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি।আগামী অর্থবছরের জন্য বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনায় তারা এ প্রস্তাব দেয়।প্রস্তাবনায় বাজেটের আকার ১২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা,যা আগামী অর্থবছরের সম্ভাব্য জাতীয় বাজেটের আড়াইগুণেরও বেশি।শনিবার (২৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বাজেট প্রস্তাবনা ২০১৮-১৯’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব দেয়া হয়।প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড.আবুল বারকাত।সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড.জামালউদ্দিন আহমেদ।গত কয়েক বছর ধরেই জাতীয় বাজেটের আদলে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি বিকল্প বাজেট ঘোষণা করে আসছে যার ধারাবাহিকতায় আসছে অর্থবছরের জন্য ১২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি।যেখানে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে শিক্ষা খাতে ২ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা এর পরে বিদ্যুৎ এ জ্বালানি খাত ও জনপ্রশাসনকে রাখা হয়েছে।অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত বলেন,২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য যে বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করছি,তার মোট আকার হচ্ছে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।তবে,অনানুষ্ঠানিকভাবে জানতে পেরেছি,এই বছর সরকারের বাজেটের আকার হতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৫ লাখ কোটি টাকা।তবে,এই বিশাল অংকের অর্থ সংস্থানের ব্যাখ্যাও দিয়েছে অর্থনীতি সমিতি। ২০১৮-১৯ সালের এ প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮২০ কোটি টাকা।অর্থাৎ মোট বাজেট বরাদ্দের প্রায় ৮১ শতাংশ যোগান দেবে সরকারের রাজস্ব আয়।বাকি ১৯ শতাংশের অর্থায়ন হবে সরকারি বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে।বারকাত আরও বলেন,প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের রাজস্ব আয় ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮২০ কোটি টাকা।প্রস্তাবে ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ নিটের কোনো ভূমিকা থাকবে না।পাশাপাশি নতুন ২০ টি উৎসের কথা বলা হয়েছে যেখান থেকে সরকারের অতিরিক্ত রাজস্ব আয় হতে পারে ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।তবে ব্যক্তি ও কর্পোরেট পর্যায়ে ব্যাপক কর রাজস্ব ফাঁকি রোধে কর প্রশাসনের সংস্কারসহ ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ের বর্তমান কাঠামো পরিবর্তন পরামর্শ দেয়া হয়। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন বলেন,‘দেশে কালো টাকার পরিমাণ ৫ লাখ থেকে ৭ লাখ কোটি টাকা।অর্থমন্ত্রনালয়ের মতে এটা জিডিপির মতে ৪২ থেকে ৮০ শতাংশ।বিষয়টি বাস্তব সত্য।এই টাকাগুলো উদ্ধার প্রয়োজন।দেশে বর্তমানে আনুমানিক কালো টাকার পরিমাণ ৫ থেকে ৭ লাখ কোটি উল্লেখ করে সমিতি বলছে আসন্ন বাজেটে এ অর্থ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধারের প্রস্তাব করা হয়েছে।পাশাপাশি ১০০ সর্বোচ্চ ঋণ খেলাপিদের মোকাবেলার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পাশাপাশি আর্থিক খাতের জন্য ন্যায়পাল নিয়োগের প্রস্তাব অর্থনীতি সমিতি।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 87 বার