May 26, 2018 8:44 pm A- A A+

ফেরেস্তা দিয়েতো কেন্দ্রীয় ছাএলীগের রাজনীতি হয় না

মঈন তুষারঃ
১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের এক সমাবেশে বলেন,দানবের সাথে লড়াইয়ে যে কোন পরিনতিকে মাথা পেতে বরনের জন্য আমরা প্রস্তুত।২৩ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি।প্রয়োজনবোধে বুকের রক্ত বইয়ে দেবো। তবু সাক্ষাত মৃত্যূর মুখে দাড়িয়ে বলবো কোন অন্যায় বরদাশত করা হবেনা।বিদ্যা আর বিনয়,শিক্ষা এবং দীক্ষা,কর্ম থেকে নিষ্ঠা,জীবন এবং দেশপ্রেম’র প্রত্যয় নিয়ে ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যসেম্বলি হলের উদীয়মান বলিষ্ঠ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ গঠন করা হয়।তৎকালীন ওই কমিটিতে নাইম উদ্দিনকে আহবায়ক করা হয়।পরে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হলে এর সভাপতি হন দবিরুল ইসলাম এবং সম্পাদক খালেক নেওয়াজ খান।এ কমিটি গঠনের পর থেকে চলমান সময় পর্যন্ত আন্দেলন,শান্তি,দূর্যোগ মোকাবিলায় ছাত্রলীগ বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাতারেই ছিলো বরাবর,সম্মুখ সারিতে।৫২’র ভাষা আন্দোলন,৬২’র শিক্ষা আন্দোলন,৬৬’র ৬ দফা,৬৯’র গণঅভ্যূত্থান, ৭০’র সাধারন নির্বাচন,৭১’র মুক্তিযুদ্ধ, রক্তাত্ব ৭৫ পরবর্তী সময় মোকাবেলা করে সংগঠনকেটিকিয়ে রাখা,৮১’তে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন,পরবর্তীতে জোট সরকার কর্তৃক ছাত্রী নির্যাতন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার প্রতিটি উত্তাল সময়ে ছাত্রলীগ অকুুতোভয় ভূমিকা পালন করেছে।এছাড়াও প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলায় ছাত্রলীগ নিঃস্ব মানুষের জন্য উদারহস্ত সাহায্য করেছে স্বীয় আত্মগত সামর্থ্যরে দ্বারা।এমনকি ৮৬’র প্রলয়ঙ্কারী বন্যায় ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা দিবারাত্রি রুটি বানিয়েছে নিজেরা অভুক্ত কিংবা আধপেটা খেয়েও।এসব শুধু ইতিহাসই নয় বরং এখনও তা চলমান।ছাত্রলীগ অতিত থেকে শিক্ষা নিতে জানে।এবং তা তারা নেয়ও।প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়।১৯৭৩ সালের ৪ঠা মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছেন শেখ মুজিবকে বেটে খাওয়ালেও বাংলা সোনার হবেনা।যদি সোনার দেশে সোনার মানুষ পয়দা করা না যায়।মানুষ সোনার হয় তার অন্তর্নিহিত চেতনা,আদর্শ’র দ্বারা।এবং এটা আসে অভিজ্ঞতা,অধ্যয়ন,অনুশীলন দ্বারা।আইন করে, বিধিনিষেধের বেড়াজালে কারো পক্ষে সোনার মানুষ পয়দা করা সম্ভব না। মানুষ তার ব্যক্তি জীবনকে একেবারে উপেক্ষা করে কিছু করতে পারেনা। আবার ব্যক্তি জীবনের আধিক্যে আদর্শ প্রায়সময়েই হোচট খায়। এ বিষয়টা সেই উচ্চস্তরই মাথায় রাখে যারা বিচক্ষন।কিন্তু কোন অবস্থাতেই যদি বলা হয় বিবাহ করলে ছাত্রত্ব রাখা যাবেনা,কিংবা ছাত্রলীগ করা যাবেনা।বয়স ষোলো হলে সমস্যা কিংবা ৩০ হলেও সমস্যা এমনতরো আরো বহুবিধ নিয়মনীতি তাতে করে সংগঠনের গতিশীলতা কি ব্যাহত হবেনা?অবশ্যই এমনটি বলা হবে,অপ্রাপ্তবয়সে বিবাহ অবৈধ,বয়সের সবোর্চ্চ স্বনীম্ন সামঞ্জস্যতা রক্ষা করতে হবে।অর্থাৎ দেশের প্রচলিত আইনকেই সতর্কতার সাথে স্মরন করিয়ে দেয়া।তাহলে অবকাঠামোগত দিক থেকে ছাত্রলীগকে সংস্কারও করা হবে।যা সময়ের দাবীর সাথেই চলমান থাকবে।অবশ্যই আইন অমান্য করা মানে নিজে বেআইনী হওয়া নয়। কিন্তু রাজনৈতিক কারনে মামলা থাকবে,থাকাটা স্বাভাবিক।এর জন্য সঠিক মনিটরিং সেল থাকবে,কিন্তু ঢালাওভাবে এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যে মামলা থাকলে আলবিদা তবে তা হবে অযৌক্তিক অতি সরলীকরন দোষে দুষ্ট।ছাত্রত্বের একটা সাধারন হিসাব আছে।যেটা শিশু শ্রেনী থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত। সে হিসাবে ৫-৬ থেকে ২৬-২৯ বছর। পূর্বে সেশন জট অচলাবস্থার সৃষ্টি করতো। বর্তমানে তা উদ্বেগজনক আকারে নেই।তবে রাজনীতি করা ছাত্রছাত্রীগন অবশ্যই সাধারন শিক্ষার্থীদের চেয়ে আলাদা। কারন সাধারন শিক্ষার্থীগন যেখানে পাশ করেই চাকুরি বা ব্যবসা বানিজ্যও অনুসন্ধান করে সাধারনভাবেই সেখানে অন্তরিক কোন ধারার রাজনীতিবিদের কাছে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠা মূখ্য বিবেচ্য নয় বরং রাজনীতির আদর্শের সাথেই স্বীয় অগ্রগতি গ্রেথিত।আমরা সকলে জানি যে,ফরমায়েসে সব হয় শুধু রাজনীতি হয়না।রাজনীতির আকাশটা শরৎতের চেয়েও অনির্দিষ্ট যে মেঘ থাকবে না রোদ থাকবে। এটা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য,ছাত্র রাজনীতি কিংবা মূল ধারা রাজনীতি।অনেক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে ভালো রাজনীতিবীদ সে ভালো ছাত্রও।এবং রাজনীতি সাবলীল উৎপাদনমুখি হয় ভালো রাজনীতিবিদের দ্বারা।
২য়তঃ সুষ্ঠু, সাবলীল রাজনীতিতো যাবতীয় শয়তানীর বিরুদ্ধে কিন্তু তা সত্বেও ফিরিশতা দিয়েতো রাজনীতি হয়না, ন্যায়শাস্ত্র বানানো যায়।রাজনীতি ন্যায়শাস্ত্রের কথা বলে কিন্তু সে নিজে ন্যায়শাস্ত্র না।রাজনীতিতো এখন পর্যন্ত একক সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত নয়।অর্থাৎ রাজনীতি কি নীতির রাজা না রাজার নীতি।রাজনীতি বিজ্ঞানের জনক খোদ এরিষ্টটল পর্যনন্ত এ বিষয়ে কোন মত ব্যক্ত করেননি। ঢালাও নীতিমালা প্রনয়ন,বিধিনিষেধের বেড়াজালের থেকেও জরুরী হচ্ছে নিবিড় পর্যবেক্ষন যে কারা সাইনবোর্ড সর্বস্ব ফ্যাশন্যাবল ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত আর কারা সত্যিকারভাবেই দ্বায়বদ্ধতার জায়গা থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত। ছা

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 1168 বার