May 26, 2018 6:42 pm A- A A+

বরিশাল কারাগারে ধারণ ক্ষমতার তিনগুন আসামী, হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ

বানী ডেস্কঃ

মাইদুল হাসানঃ
বরিশালে গত কয়েকদিনে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক আসামীদের জায়গা গিতে হিমশিম খাচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ।ধারন ক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুন হাজতি আসামী হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।কারা সূত্রে জানা গেছে,গত এক মাস ধরে কেন্দ্রীয় কারাগারে ১২’শ আসামী ছিল। কিন্তু সম্প্রতি প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে আটক দ্বিগুন হওয়ার ক্ষেত্রে জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। গত শুক্রবার পর্যন্ত ৬৪৪ জন মহিলা সহ ১১৮৫ হাজতি ও কয়েদী আসামী ছিল।গতকাল শনিবার তা বেড়ে ১২’শ ১২তে উন্নীত হয়।অর্থাৎ সাধারন ধারন ক্ষমতার চেয়েও তিনগুন।তবে এ সকলের মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ও ফাসিঁর দন্ডপ্রাপ্ত ৭২ জন অবশিষ্ট হাজতি আসামী।সূত্রটি জানায়,আসামীদের ধারন ক্ষমতার বেশী হলে সেখানে অধিক বন্দিদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত ১০০ কিংবা ১২০ জন সুষ্ঠুভাবে থাকতে পারে।কিন্তু প্রায় সময়েই দেড় অথবা দুইশতের জায়গা দিতে হয়।বিশেষ অভিযানে তার চেয়ে দ্বিগুন যা ধারন ক্ষমতার অনেক বাইরে।যার দরুন নির্ধারিত কম্বল,এলুমিনিয়ামের বাটি এসবের সমস্যা হলেও তা জেল কর্তৃপক্ষ সামাল দিতে পারে।তিনবেলা পর্যাপ্ত খাবার ব্যবস্থাও করতে পারে।কিন্তু শোবার জায়গা, গোসল,পানির ব্যবস্থা,এসবে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। জেলখানায় লোডশেডিং ভয়াবহ বিষয়।গরমে মানুষ মুক্ত হাওয়ায় শ্বাস নিতে পারে।কিন্তু জেলে হাজার হাজার হাজতি কয়েদি স্বল্প পরিসরে তাদের থাকতে হয়।অবশ্যই জেলখানা আরাম আয়েসের জায়গা নয়।কিন্তু সামান্য সময়ের লোডশেডিংও ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি করে। নরম্যালি ধারন ক্ষমতার চেয়ে তিনগুন বেশী আসামী সমাগম হলেও অন্যান্য জেলার চেয়ে তুলনামূলকভাবে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার ভালো অবস্থায় রয়েছে বলে জানান দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়ার জেলসুপার মোঃইকবাল আকতার।প্রসঙ্গত,গত ১০ দিনে সারা দেশের ন্যায় বরিশালেও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনী কঠোর অভিযান পরিচালনা করেন। এ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে ১০ দিনে আটক হয়েছে ১৩৮ জন,উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমান ইয়াবা সহ অন্যান্য মাদকের সরঞ্জামাদী।মামলা হয়েছে অর্ধশতাধিক।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 81 বার