June 3, 2018 6:43 pm A- A A+

বরিশালের সাদা সেমাইয়ে রঙিন স্বপ্নে বিভোর স্বপ্নবাজরা

বানী ডেস্কঃ

পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে দম ফেলার সময় নেই জেলার চিকন সাদা লাচ্ছা সেমাই তৈরির কারিগরদের।খ্যাতির এ সেমাইটা চিকন।আর রঙটা সাদা।তবে স্বপ্নটা রঙিন।ঈদ-উল ফিতরের উৎসবকে ঘিরে চিকন সাদা সেমাইয়ে রঙিন স্বপ্নে বিভোর এই স্বপ্নবাজরা। স্বপ্ন নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া খেটে খাওয়া মানুষদের কর্মে বাগড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্ষা।গত কয়েকদিনের বর্ষণের কারনে সেমাই উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।এতে চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে সেমাই সরবরাহ করতে পারছেন না কারখানার মালিক।সরেজমিনে জেলার একমাত্র মানসম্পন্ন গৌরনদী উপজেলার ধানডোবা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবার খাব লাচ্ছি সেমাই তৈরির কারখানা ঘুরে দেখা গেছে,অত্যাধুনিক মেশিনে তৈরি ওই কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক দিনরাত সমানতালে সেমাই তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।এ কারখানার উৎপাদিত সেমাই গৌরনদী উপজেলাবাসীর চাহিদা মিটিয়ে গোটা জেলার পাইকারী মোকামগুলোতে সরবরাহ করা হয়। রমজান মাসের শুরু থেকে অদ্যবর্ধি কারখানার শ্রমিকদের দিন-রাত ২৪ ঘন্টার মধ্যে দম ফেলার সময় নেই।ধানডোবা গ্রামের একসময়ের খুচরা বাদাম বিক্রেতা মোক্তার হোসেন সিকদার গত আট বছর পূর্বে প্রথমে ক্ষুদ্র আকারে নিজ গ্রামে আবার খাব নামের লাচ্ছি সেমাই কারখানা গড়ে তোলেন।মানসম্পন্ন সেমাই উৎপাদনের ফলে ক্রমেই তার কারখানার সেমাইর সুনাম সর্বত্র ছড়িয়ে পরে।পর্যায়ক্রমে পাইকারদের মাধ্যমে আবার খাব সেমাই জেলার প্রতিটি মোকামে ছড়িয়ে পরে।মোক্তার হোসেন সিকদার বলেন,ঈদের দিন সকালে প্রতিটি ঘরে ঘরে তৈরি হয় নানা রকম মুখ রোচক খাবার।এসব খাবারের মধ্যে অন্যতম খাবার হচ্ছে সেমাই।সেমাই ছাড়া ঈদের আনন্দ যেন অনেকটাই মলিন।তাই তিনি স্বল্প ব্যবসার মাধ্যমে অত্যাধুনিক মেশিনের সাহায্যে মানসম্মত সেমাই উৎপাদন করে থাকেন।সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুখরোচক সেমাই উৎপাদন করায় বেশ স্বল্পসময়েই আবার খাব কারখানার লাচ্ছি সেমাইয়ের সুনাম গোটা জেলায় ছড়িয়ে পরেছে।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 31 বার