June 5, 2018 7:53 pm A- A A+

আতঙ্কের নাম গ্যাস সিলিন্ডার,অধিকাংশ মুদির দোকানে নেই অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র

বানী ডেস্ক:
এইচ.এম.হেলাল:

মুদি দোকানে লাইসেন্সেই জ্বালানী গ্যাসের মজুদ করে অবৈধ ভাবে প্রকাশ্যে ব্যবসা করে আসছে ব্যবসায়ীরা।অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ছাড়াই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাজানো যে কোন মুহুর্তে বিস্ফোরন হয়ে ঘটতে পারে প্রান নাশের মত বড় ধরনের দুর্ঘটনা।এক লাইসেন্সে হরেক রকম পন্য বিক্রি করে ব্যবসায়ীদের আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছে।নিরাপত্তা কিংবা অনুমোদন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না যেন কেউ।মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জরিমানা করা হলেও ৫ মিনিটের ব্যবধানে সাবেক রূপেই ব্যবসা পরিচালিত করছে তারা কঠিনতম শাস্তি প্রধান না করায়।গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার একটি বড় ধরনের বোমার সমতুল্য। সেখানে মুদি দোকান,সিগারেট,খাবার হোটেলের জ্বলন্ত চুলার পাশে গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার সাজিয়ে প্রকাশে ব্যবসা করে আসলেও নজর দিচ্ছেনা কেউ।যে কোন মূহুর্তে বড় ধরনের প্রাননাশের মত দুর্ঘটনার অপেক্ষা যেন করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।অভিযোগ রয়েছে জ্বালানি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ কিংবা বিক্রির জন্য ফায়ার সার্ভিস কর্তৃক লাইসেন্স ও ৪ দপ্তরের অনুমোদন প্রয়োজন।কিন্তু এসকল অনুমোদন লাইসেন্সের শর্ত সাপেক্ষ থাকায় অধিকাংশ ব্যবসায়ীরাই তাদের মুদির দোকানের পাশাপাশি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার মজুদ করে ব্যবসায় করে অাসছে অধিক মূল্য পাবার লোভে।কিন্তু জানা গেছে,স্কুল,কলেজ মাদ্রাস কিংবা কোন ধরনের কোম্পানী দুরুত্ব অনুযায়ী লাইসেন্স প্রদান করা হয়।এছাড়া অগ্নিনিরাময় গ্যাস প্রতিষ্ঠানে রাখা বাধ্যতামুলক।সরেজমিনে অভিযোগর প্রেক্ষিতে দেখা গেছে নগরীর সাগরদী পোলের পাশে খান ট্রেডার্স ও বাজারের ভিতরে রতন স্টোর মুদি দোকনের লাইসেন্সে গ্যাস প্রতিষ্ঠানে গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার মজুদ করে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করে আসছে।অগ্নি নিরাপত্তার জন্য গ্যাসও দোকান ঘরে নেই।অথচ মুদি দোকান নামে হলেও বিপদ জনক ভাবে সিগারেট বিক্রিও করছে,আশপাশে জ্বলন্তচুরাও জ্বলছে খাবার হোটেলের দোকানে।যে কোন মুহূর্তে বিস্ফোরন ঘটে বড় ধরনের প্রান নাশের আশঙ্কাও করছে অনেকে।এছাড়াও একই ভাবে অনুমোদন বিহীন লাইসেন্স ছাড়াই গোড়াচাঁদ দাস রোড কবি সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস সংলগ্ন সেলিম বিজনেস পয়েন্টে গ্যাস সিলিন্ডারের মজুদ করে প্রকাশ্যেই অবৈধ ভাবে ব্যবসা করে আসছে।রাস্তা দখল করে গাড়ি থেকে গ্যাস নামানোর কারনে মাঝে মাঝে সৃষ্টি হয় জানজট।একাধিক ছাত্রীরা জা অভিযোগ করে জানায়,গভির রাতে ট্রাক ভর্তি গ্যাস সিলিন্ডার দোকানে উঠানো-নামানো হয়।এর পাশেই রয়েছে সুজনের মুদি দোকান,সেখানেও বিক্রি হয় গ্যাস সিলিন্ডার।শব্দ দূষণে যেমন গুমে বিঘœ ঘটছে তেমনি পড়াশুনোতেও সমস্যা হয়।একই সাথে যে কোন মুহুর্তে বিস্ফোরন ঘটেও তাদের প্রাণ নাশের আশঙ্কা রয়েছে।বটতলা বাজারেও একই অবস্থা মুদি দোকানের লাইসেন্সে দেদারছে ব্যবসা করে আসছে জ্বালানী গ্যাসের।দোকানের সামনে দু’একটি গ্যাস সিলিন্ডার রাখা হলেও গোডাউনে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডারের মজুদ।অনুমোদন এবং গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ কোন লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও প্রকাশে কি ভাবে বিক্রি করে আসছে তা বোধগম্য হচ্ছেনা কারোই।নিউ সার্কুলার রোড,কালিবাড়ি রোড,ফকির বাড়ি রোড,চৌমাথা সহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায়ই দেখা মেলে মুদি দোকানের লাইসেন্সে জ্বালানি গ্যাস মজুদ করে বিক্রি করার দৃশ্য।লাইসেন্স ও অনুমোদনহীন ঐ সকল ব্যবসায়ীদের কারনে সরকার হারাচ্ছে প্রতিনিয়ত কোটি টাকার রাজস্ব।অপরদিকে ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়েও লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের।এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে জানা যায় তারা উপর মহল ম্যানেজ করেই ব্যবসা করে আসছে এতে তাদের কোন সমস্যা নেই।লাইসেন্স অনুমোদন করলে ক্রেতাদের কাছ থেকে অন্যান্যদের তুলনায় কমে গ্যাস বিক্রি করতে পারবে না।ক্রেতাদের জন্যই এই পন্থা অবলম্বন করেছে।সবাই এরকম করে ব্যবসা করে আসছে।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 75 বার