July 10, 2018 10:41 pm A- A A+

বিসিসি’র নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে নৌকার মাঝি সাদিক আব্দুল্লাহ

বানী ডেস্কঃ

বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে আজ মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।সকাল থেকে নগরীর কাশিপুরস্থ এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়। চলে বিকেল পর্যন্ত।তবে প্রতীক পেয়েই অনেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।বিশেষ করে কোন কোন প্রার্থীর পক্ষে রিকশা বা অটোরিকশাযোগে মাইকিংও শুরু করা হয়েছে।বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃমুজিবুর রহমান জানান,বেলা ১২টার দিকে মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।এর আগে সকাল থেকে নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।সূত্রমতে,ছয়জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দলীয় নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার,লাঙল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব,বাসদ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী পেয়েছেন মই প্রতীক এবং সিপিবি’র প্রার্থী একে আজাদ পেয়েছেন কাস্তে প্রতীক।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান জানান,যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহার কার্যক্রম শেষে বিসিসি’র নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ছয়জন, সাধারণ কাউন্সিলর ৯৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তিনি আরও বলেন, প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা নির্বাচনী বিধি-নিষেধ মেনে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।
প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরয়ার,জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি করেন।আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থী তারুণ্যের অহংকার সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ আছেন ভালো অবস্থানে।বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক জনপ্রিয় মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর নগরীতে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের মধ্যে হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়। অভ্যন্তরীণ একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পরে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। দলের এ ক্লান্তিকালে বরিশালে আবির্ভাব হয় কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর। তিনি বেশ শক্তহাতে দলের সকল অভ্যন্তরীণ বিরোধ মিটিয়ে সবাইকে এককাতারে নিয়ে আসেন। ফলশ্রুতিতে নিজের কর্মদক্ষতায় মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সাদিক আব্দুল্লাহ। পরবর্তীতে প্রয়াত মেয়র হিরণের ন্যায় নগরীর তৃণমূল পর্যায়ের জনসাধারণের সুখে-দুঃখের সাথী হয়ে সকলের হৃদয়ে তিনি (সাদিক) স্থান করে নেয়। তৃণমূল পর্যায়ে সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতার কারণে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের নেতৃবৃন্দরা আসন্ন বরিশাল সিটি নির্বাচনে শওকত হোসেন হিরণের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্নের জন্য সাদিক আব্দুল্লাহকে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে সাদিক আব্দুল্লাহর পক্ষে ততই বেশি গণজোয়ারের সৃষ্টি হচ্ছে।আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থী তারুণ্যের অহংকার সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন,ইনশআল্লাহ বরিশাল সিটি নির্বাচন অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম উৎসবমুখর পরিবেশেই হবে।এরমধ্য দিয়েই বরিশালের জনগণ তরুণ নেতৃত্বকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করবেন।
সূত্রমতে,আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডের ১২৩ কেন্দ্রে ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থী হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য মেয়র ও কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে বেঁছে নেবেন।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 132 বার