August 14, 2018 8:07 pm A- A A+

১৫ই আগষ্টের অন্ধকারের আলো নিয়েই বড় হবে মাধূর্য

বানী ডেস্কঃ

১৫ই আগষ্ট মাধূর্যের জন্মদিন।তার পুরা নাম ফাতিহা মঈন মাধূর্য।এই শিশু বয়সেও তাকে অনেক উপমায় অভিহিত করা যায়।সে জাহানারা ইসরাঈল স্কুলের মনযোগী ছাত্রী,ভালো নাচে,সংযমী,মা-বাবার কাছে যখন তখন কোন আবদার করেনা,এই কচি বয়সেও ফযরের নামায নিয়ম করে পড়ার চেষ্টা করে।বয়সের বিবেচনায় এই গুনাবলীগুলো মোটেও সাধারন নয়।মাধূর্য জন্মাবার পর একাধিক জন্মদিন এসেছে সেসব সে নিরবেই পাড় করে দিয়েছে,এখনও।কারন এই ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শাহাদাৎ বার্ষিকী,বঙ্গবন্ধুর সাথে তার গোটা পরিবার শহীদ হয় ঘাতকের বুলেটে।মাধূর্যের পিতা ভিপি মোঃ মঈন তুষার মুজিব আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক।বয়স যাই থাক,সে বুঝতে পারে অনেক কিছু,বুঝতে পারে এই দিনটা শোকের দিন,এই মাসটা রক্ত আর অশ্রুতে লেখা,সেই দিন,সেই মাসে মাধূর্যের জন্ম তাই জন্মদিনে তার নেই কোন আবদার,মাধূর্য পেরেছে বঙ্গবন্ধুর শোকের জন্য নিজের জন্মদিনের উৎসব আনন্দকে বিসর্জন দিতে।বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ থেকে ২০১৮ সাল-এই ৪৩ বছর শুধু শোক দিবসই পালন করে গেছেন,তার বা তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের কতজনের জন্মদিন আসে আর যায় সে সবের অনেক পালনও করা হয় অনাড়ম্বরভাবে,কারন সব কিছু ছাপিয়ে শোক যেখানে প্রবল সেখানে পৃথিবীর যাবতীয় আয়োজন নিরর্থক মনে হয়,অন্যথায় উচ্ছাসে কোন প্রান থাকেনা।যার জন্যই বলা হয় মানুষ অল্প শোকে কাতর হয় অধিক শোকে হয় পাথর।চলমান সময় থেকে মাধূর্যের জন্মদিনে তার স্বপ্রনোদিত কোন উচ্ছ্বাস থাকবেনা,থাকলেও তা শোকের সাগরে বিলীন।এটাই মহান পূর্বপুরুষদের প্রতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের দ্বায়বদ্ধের বহমানতা।আমরা কোন পুষ্পমাল্যে নয়,কোন শুভেচ্ছাবার্তায়ও নয়,উপরে আসমান নীচে জমিন দরিয়ার চর পশ্চিমের ঘর এই বাংলার সর্বত্র ছড়িয়ে দেই নীরবে,নিভৃতে মাধূর্যের জন্য কিছু পংক্তিমালা -আমাদের বেচেঁ থাকা জরুরী,ওদের মত দেশলাই জ্বেলে বাংলার মুখ দেখিনা,রৌদ্রের দিনে দেখি স্বাধীনতায় দীপ্ত ঝলসানো বাংলাদেশ,দেখি বঙ্গবন্ধুকে,হায়!পড়ে আছেন সিড়ির গোড়ায়,সেখানে আধো অন্ধকার,ঘাতকদের অন্ধকার,তার অনেক বছর পর বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে যখন ফের জন্মায় নরম শিশুর মত ঘাসেরা তখন ভূমিষ্ঠ হয় মাধূর্য,পৃথিবীর আলো দেখার পূর্বে দেখে সিড়ির গোড়ার অন্ধকার,সেখানে চিরনিদ্রায় জাতির জনক,সেই অন্ধকারের আলো নিয়েই বড় হবে মাধূর্য ওদের জানিয়ে দিতে-এই যে যুদ্ধ লিখলাম শুনতে পাও মানবিক অস্ত্রের হুঙ্কার?কি ভয় লাগছে না?এবার লিখলাম লোভ,অনেক নেকড়ে বাড়িয়ে রেখেছো হা,এবার লিখলাম শান্তি মনের মধ্যে উড়ছে সাদা পায়রা আমাদের,এবার মানুষ লিখলাম হ্যাঁ মানুষ,সাবধান!অমানুষরা যেন আর মুছে না দেয় হত্যাকান্ডের পরের মূহুর্তগুলো!

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 222 বার