August 15, 2018 4:51 pm A- A A+

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক র‌্যালি ও আলোচনাসভা

বানী ডেস্কঃ

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৮।কর্মসূচির অংশ হিসেবে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে অর্ধনমিতভাবে জাতীয় পতাকা,বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।শোক দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকাল সাড়ে ৮টায় শোকর‌্যালির আয়োজন করে।বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড.এ কে এম মাহবুব হাসানের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্য কালো ব্যাজ ধারণ করে শোকর‌্যালিতে অংশ নেন।র‌্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মহাসড়ক হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অস্থায়ীভাবে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে এসে শেষ হয়।শোকর‌্যালি শেষে ট্রেজারার অধ্যাপক ড.এ কে এম মাহবুব হাসান বিভিন্ন অনুষদের ডিন,রেজিস্ট্রার,বিভাগীয় প্রধান,প্রক্টর,প্রভোস্ট,পরিচালক,শিক্ষকমন্ডলী,দপ্তর প্রধান,শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এর পরপরই শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি,সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ-৭১ ববি শাখা,অফিসার্স এসোসিয়েশন,৩য় শ্রেণি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ,৪র্থ শ্রেণি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ,বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২টি বিভাগ,বঙ্গবন্ধু হল,শেরে বাংলা হল,শেখ হাসিনা হল,বিইউডিএস,৭১’র চেতনা,কীর্তনখোলা ফিল্ম সোসাইটি,বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সকাল ১০টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভার শুরুতে ১৫ আগস্ট শাহাদাতবরণ করা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।শোক দিবসের আলোচনা সভায় ট্রেজারার অধ্যাপক ড.এ কে এম মাহবুব হাসান বলেন,’বঙ্গবন্ধু একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন না,তিনি ছিলেন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী।তিনি শুধু বাংলাদেশেরই নেতা ছিলেন না,তিনি ছিলেন বিশ্বমানের নেতা।বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে মুছে ফেলা যায়নি।বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।’সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড.মো.মুহসিন উদ্দীন,বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ-৭১ ববি শাখার সভাপতি ড.মো.হাসিনুর রহমানসহ অনেকেই।আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের যেসব সদস্য ১৫ আগস্ট শাহাদতবরণ করেছেন তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।শোক দিবসের অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো.মনিরুল ইসলাম।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট 101 বার