বুধবার, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৯ ইং, রাত ১:০২

কোন পথে বিশ্ব রাজনীতি ?

কোন পথে বিশ্ব রাজনীতি ?

dynamic-sidebar

সিরিয়ায় আইএস পরাস্থ। এখন রাজনীতির মেরুকরন চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। দুই ধরনের রাজনীতি-আঞ্চলিক সামরিক এবং পররাষ্ট্রনীতিয়। আঞ্চলিক সামরিক রাজনীতি মানে আইএস-আলকায়দা নেটওয়ার্কের পুনরুত্থানের সম্ভাবনাজনিত এবং পররাষ্ট্রে রুশ-লেবানন লবীকে দূর্বল করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা মার্কীন আর তার মিত্রদের। ইতিমধ্যে পুতিন-নেতানিয়াহু সংলাপে বোঝা যাচ্ছে রুশ বলয় মিত্র বাড়াতে সচেষ্ট। এবং মধ্যপ্রাচ্যের সব ধরনের রাজনীতিতে রুশদের গ্রহনযোগ্যতা মার্কীনদের চেয়ে অনেক বেশী।

চীনের মাথা ব্যাথার কারন দুইটি- স্থলপথে তিব্বত-ভারত ইস্যূ এবং জলপথে দক্ষিন চীন সাগর। ভারত-তিব্বত প্রসঙ্গ তার আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের একটি হাতিয়ার, যেটা সে বিভিন্ন কৌশলে ব্যবহার করে, কিন্তু দক্ষিন চীন সাগর তার অস্বস্তির কারন, কেননা একেতো আন্তর্জাতিক জলসীমা শব্দটাই চীনের গাত্রদাহের কারন। তার উপরে জাপানের অনমনীয়তা, আঞ্চলিক সামরিক রাজনীতির মিত্রতার ইজ্ম তুলেও জাপানের সূর নরম করতে পারেনা চীন- দক্ষিন কোরীয়াতো বরাবরেরই মার্কনদের মিত্র। অতএব অনেকটা বাধ্য হয়েই শিন্ জিনপিয়াও তার সেনাবাহিনীকে যুদ্ধাবস্থায় দেখতে চায়।

মার্কীন প্রশাসন মেক্সিকো সীমান্তে পাচঁশতাধিক কোটি টাকা ব্যায়ে কাটাঁতারের বেড়া দিচ্ছে। কেন? অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে। তা হয়তো কিছু ঠেকবে কিন্তু তাতে লাভবান হবে মাদক সম্রাটরা। পাবলো এসকোবার-জুয়ান পাবলোর পর মধ্য থেকে ল্যাটিন আমেরিকায় মাদক সাম্রাজ্যের যে কত নয়া-মেরুকরন সম্পন্ন হয় তার হিসাব মার্কন প্রশাসনের কাছে নেই, তা রাখার তেমন চেষ্টা করাটাও এখন তাদের জন্য লস প্রজেক্ট। বরং ঘর সামলাও এই নীতি মার্কীন প্রশাসনকে কিছু স্বস্তি দেয়। মার্কীন প্রশাসন যত চাপের মধ্যে থাকে দুনিয়া তত নিরাপদ থাকে তাদের তথাকথিত গনতান্ত্রিক-শান্তিবাদী যুদ্ধ থেকে।

আরাকান আর্মি মায়ানমার পুলিশের উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আরাকান আর্মি উগ্রবাদী বুড্ডিষ্ট সংগঠন। বৌদ্ধরা অহিংসার কথা বলে কিন্তু তাদের থেকে অহিংস হচ্ছে জৈনরা, প্রবল জাত্যাভিমান কোন সময়ে টিকে থাকা জৈনদেরকেও উগ্র করে তুলতে পারে, সেখানে মায়ানমারের মত একটা মিলিটারী রাষ্ট্রের চরিত্র বিবেচ্য সেখানে কোন জাতি কোন সম্প্রদায় সেটা গৌন বিবেচ্য। মায়ানমারে যদি গনতন্ত্রের চর্চ্চাটা থাকতো তবে বৌদ্ধদের মত অহিংসারা উগ্র হতো না, বুড্ডিষ্টরা কোন মহান আদশর্ বাস্তবায়নে সশস্ত্র নয় বরং জাত্যাভিমান তাদেরকে উগ্রতায় পর্যবাসিত করে , অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শুরুতেই হাতিয়ার এটা শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে বর্বরদের ভাষা

Count currently

  • 9721Visitors currently online:

Counter Total

Facebook Pagelike Widget

Desing & Developed BY EngineerBD.Net

Shares
Show Buttons
Hide Buttons