মঙ্গলবার, ২৬শে মার্চ, ২০১৯ ইং, সকাল ৬:৪৬

হার দিয়ে শুরু করলেন এমপি মাশরাফি

হার দিয়ে শুরু করলেন এমপি মাশরাফি

dynamic-sidebar

স্পোর্টস ডেস্ক : লক্ষ্যটা মাত্র ৯৯ রানের, হাতে রয়েছে পুরো ১২০ বল। রয়ে সয়ে খেলেই আরামেই জেতা যায় ম্যাচ। কিন্তু এতো সহজেই জয় পেলে কি আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচের উত্তেজনাটা পাওয়া যায়? সে উত্তেজনা এনে দিতেই যেনো ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টা করেন চিটাগং ভাইকিংসের ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ।

তা বুঝতে পেরে লেন্থ খাটো করে দেন রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাথে হালকা ইনসুইং করায় পুরোপুরি পরাস্ত হন শাহজাদ। মাঝ ব্যাটের বদলে ব্যাটের উপরের কানায় লেগে বল উঠে যায় আকাশে। কিন্তু সৌভাগ্যবশত খালি জায়গায় পড়ায় বেঁচে যান শাহজাদ, পেয়ে যান এক রান।

চিটাগং ভাইকিংসের ইনিংসের এই প্রথম বলটিই যেনো হয়ে থাকলো উদ্বোধনী ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের প্রতিকী চিত্র। যেখানে পুরো ইনিংসজুড়েই সম্ভাবনা জাগিয়েছেন মাশরাফি, নাজমুল অপুরা। কিন্তু বারবারই অল্পের জন্য বেঁচেছেন ভাইকিংস ব্যাটসম্যানরা। শেষপর্যন্ত পাঁচ বল হাতে রেখে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চিটাগং ভাইকিংস।

রান তাড়া করতে নেমে একপ্রান্ত থেকে আফগান শাহজাদ মারমুখী ব্যাটিং করলেও অপরপ্রান্তে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ক্যামেরন ডেলপোর্ট এবং পরের ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান মোহাম্মদ আশরাফুল।

ইনিংসের প্রথম ছক্কা হাঁকালেও মাত্র ৮ রানই করতে পেরেছেন ডেলপোর্ট। রংপুর অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার বোলিংয়ে অ্যালেক্স হেলসের হাতে ধরা পড়েন তিনি। দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পরে বিপিএল খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারেননি মোহাম্মদ আশরাফুলও।

শুরুটা দেখেশুনে সিঙ্গেল নিয়েই করেছিলেন আশরাফুল। কিন্তু মুখোমুখি পঞ্চম বলে বড় শট খেলতে গিয়েই ধরা পড়েন থার্ডম্যান ফিল্ডারের হাতে। নামের পাশে যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ৩ রান। মাত্র ১৯ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় চিটাগং।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম ও শাহজাদ। দুজন মিলে যোগ করেন ৩২ রান। অষ্টম ওভারেই দলীয় পঞ্চাশ পূরণ করে সহজ জয়ের দিকেই এগুচ্ছিলো চিটাগং। কিন্তু তখনই শাহজাদকে লেগ বিফোর উইকেটে পরিণত করে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন বেনি হাওয়েল।

আউট হওয়ার আগে ৪ চারের মারের ২৩ বলে ২৭ রান করে শাহজাদ। তখনো টিকে ছিলেন মুশফিক। একপ্রান্ত আগলে রেখে তিনি দলকে জয়ের কাছে নিতে থাকলেও অপর প্রান্তে কেউই সঙ্গ দেননি তেমনভাবে। সিকান্দার রাজা ৩ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ২ রান করে আউট হলে চাপে পড়ে যায় চিটাগং।

তবে তরুণ অফস্পিনার নাঈম হাসান ১০ রানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলে মুশফিকের কাজ সহজ হয়ে যায়। তাকে বোল্ড করে রংপুরের আশা জাগিয়ে তোলেন মাশরাফি। পরের ওভারেই মুশফিকও ফিরে গেলে ম্যাচ জমে ওঠে।

0Shares

Count currently

  • 70514Visitors currently online:

Counter Total

Facebook Pagelike Widget

Desing & Developed BY EngineerBD.Net