বুধবার, ২০শে মার্চ, ২০১৯ ইং, দুপুর ২:৫৫

পবিত্র ইসলাম ধর্ম এবং চীন

পবিত্র ইসলাম ধর্ম এবং চীন

dynamic-sidebar

।। এস. এম. তুষার ।।

গনচীনের প্রশাসন ইসলাম ধর্মকে চৈনিক উপযোগী করতে পদক্ষপ নিয়েছে। এ দ্বারা বোঝা যায় তারা ইসলাম আতঙ্ক নয় মুসলিম আতঙ্কে থাকে। ইসলামকে সংস্কার করা যায়না, সে সব সংস্কারের উর্ধ্বে। এবং মুসলমান কোন আতঙ্কেরবিষয় নয় কিন্তু কারবালা যুদ্ধের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তিন খিলাফতের দ্বান্দ্বিক উত্থানে যে রক্ত ক্ষয় হয় শতাব্দী থেকে শতাব্দী তার জের ধরে মুসলমান নামে দুনিয়া জুড়ে এক ধরনের ত্রাসের সৃষ্টি হয়। খিলাফত ইসলাম নিয়ে পৃথিবী জুড়ে মুসলমান শক্তি দ্বিধাবিভক্ত। যারা মনে করে ইসলাম অবশ্যইকায়েম করবার বিষয় এবং সেটা শেস পর্যন্তকায়েম হবে স্বয়ং খোদাপাকের তরফ থেকে এবং তা করবেন ইমাম মেহদী(আঃ)। কিন্তু তার বিরোধীতা করে আইএসের মত জঙ্গী সংগঠনগুলো তাদের মতে, ইসলাম কায়েম করতে হবে মুজাহিদদের এবং তা সশস্ত্র কায়দা। তবে অনেক ইসলামী জঙ্গী সংগঠন অবশ্য খিলাফত নিয়ে তেমন ভাবনা তাদের মতে সমস্যা রুশ-মার্কন আগ্রাসনকে প্রতিহতকরন। যইহোক, এ সবের মধ্যে পড়ে সাধারন মুসলমানগণ শুধু সমস্যাই নয় বিষ¦ জুড়ে দেশে দেশে তাদের জীবন- মরন সমস্যা। এক সময়ে গণচীন ছিলো বিশ্বের নিপীড়িত জাতিসত্বাগুলো মুক্তি আন্দোলনের একটা জ্বলন্ত প্রতিক। কিন্তু চরমান সময়ে তার সেই ভূমিকানেই, বরং সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র হিসাবে চীন স্পষ্টভাবে চিহ্নিত। সঙস্কার শব্দটা কথার কথা, আসলে চীনা প্রশাসন মুসলমানদের উপর কালাকানুন জারী করছে, অন্যায় আইন চাপিয়ে দিচ্ছে।ডুগে, যুগে, শতাব্দী ধরে বিষ¦ সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো এমন সব চাপিয়ে দিয়েছিলো দাড়ি,টুপি আর হেযাবের উপরেআরএ সবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহও হয়েছে অসংখ্য। তাতে ষে পর্যন্ত বিদোহীদের জয় হয়েছে। গনচীনেও প্রশাসন ব্যর্থ হবে। প্রাচীন শেং সম্রাটদের আমলে চীনে একটা বিদ্রোহের নাম ছিলো বড়বাড়িতে ভোজ, ইতিহাস পড়লেই ঘটনাটা জানা যাবে, এখন কথা হচ্ছে- বড় বাড়িতে ভোজ না হয়ে যদি হয় খলিফা ৩য় আব্দুর রহমানের অভিযান , কিংবা গাজী সালাউদ্দিনের ধর্মযুদ্ধ তবে গোটা চীন বেকায়দায় পড়ে যাবে। মুসলমানগণ একটা শক্তি প্রকৃতি যাকে রক্ষা করে।

0Shares

Count currently

  • 67902Visitors currently online:

Counter Total

Facebook Pagelike Widget

Desing & Developed BY EngineerBD.Net