মঙ্গলবার, ২৬শে মার্চ, ২০১৯ ইং, ভোর ৫:৪৬

সয়াবিন তেল আমদানিতে যে দেশের কাছে অবস্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ

সয়াবিন তেল আমদানিতে যে দেশের কাছে অবস্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ

dynamic-sidebar

বিজনেজ ডেস্ক : ভোজ্যতেলগুলোর মধ্যে অন্যতম সয়াবিন তেল। চলতি শতকের শুরু থেকে অধিকাংশ বছরই দেশে সয়াবিন তেলের ব্যবহার বেড়েছে। প্রতি বছরই ভোজ্যতেলটির আমদানি বাড়ছে। এর পরও সয়াবিন তেল আমদানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় চীনের কাছে অবস্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ এ তালিকায় এক ধাপ কমে তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে।

মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ সয়াবিন তেলের অষ্টম শীর্ষ ভোক্তা দেশ। ২০০৯ সালের পর থেকে দেশে ভোজ্যতেলটির অভ্যন্তরীণ চাহিদায় ধারাবাহিক চাঙ্গাভাব বজায় রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে দেশে সয়াবিন তেলের চাহিদা দাঁড়িয়েছিল ১০ লাখ ৫ হাজার টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৮ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেশি। দেশের ইতিহাসে এটাই সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ চাহিদা। ২০১৭ সালে দেশে ভোজ্যতেলটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯ লাখ ৯০ হাজার টনে। তবে সদ্যবিদায়ী ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সয়াবিন তেলের চাহিদা ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ হাজার টন বেশি।

স্বাভাবিকভাবেই দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের চাহিদা ও পণ্যটির নিজস্ব উৎপাদনের মধ্যে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টনের ব্যবধান রয়েছে। এ ব্যবধান পূরণের জন্য দেশীয় আমদানিকারকরা প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সয়াবিন তেল আমদানি করেন। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ থেকে সয়াবিন তেল আমদানি করা হয়। ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, টানা চার বছরের চাঙ্গাভাবের ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে দেশে সব মিলিয়ে ৮ লাখ ৩০ হাজার টন সয়াবিন তেল আমদানি করা হয়েছিল, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি। দেশের ইতিহাসে এটাই সয়াবিন তেল আমদানির সর্বোচ্চ রেকর্ড।

0Shares

Count currently

  • 70509Visitors currently online:

Counter Total

Facebook Pagelike Widget

Desing & Developed BY EngineerBD.Net