শামীম মাতুব্বরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর মামলা! গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে

প্রকাশিত: ১১:৩৫ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯ | আপডেট: ১১:৩৫:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯

|| খান লিমন ||

বরিশাল সদর ইউনিয়নের লামচরি গ্রামের আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীরি তত্ববধায়ক শামীম মাতুব্বরের বিরুদ্ধে বেরিয়ে আসছে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর তথ্য। এদিকে শিশুর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে গত ১লা ফেব্রুয়ারী কোতোয়ালী মডেল থানায় শামীম মাতুব্বরকে প্রধান আসামী করে কাউনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্তশামীম মাতুব্বর। মামলা ও সরেজমিন সূত্রে জানাযায়, গত ৩০ জানুয়ারী বেলা ১২টায় লামচরি গ্রামের জনৈক রিয়াজ ফরাজীর দুই মেয়েকে শামীম মাতুব্বর কৌশলে আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর ভিতরে নিয়ে শ্লীততাহানীর চেষ্টা করে। বিষয়টা জানাজানি হলে শামীম মাতুব্বর বিভিন্ন প্রলোভন দ্বারা বিষয়টি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করে। কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা রুজু করলে শামীম মাতুুব্বর গা ঢাকা দেয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সে পলাতক। শামীম মাতুব্বরের পিতা মৃত কাঞ্চন আলি মাতুব্বর। এবং সে চারন দার্শনিক আরজ আলি মাতুব্বরের নাতি। উল্লেখ্য যে, শামীম মাতুব্বরের বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন ধরনেরঅভিযোগ রয়েছে। আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরী কমিটির সম্পাদক হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন মানুষকে জমি পাইয়ে দেবার কথা বলে বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ করে। আরজ আলি মাতুব্বরের গ্রন্থ বিক্রয় বাবদ অর্জিত অর্থ আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর উন্নয়নের বদলে নিজস্ব তহবিলে জমা করে ব্যক্তিগতভাবে খরচ করে। এছাড়াও প্রয়াত দার্শনিক আরজ আলি মাতুব্বরের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি আরজ মঞ্জিল লাইব্রেরীর উন্নয়নের বদলে নিজ সম্পদ বৃদ্ধিতে সচেষ্ট বলেও জোরালো অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে মেয়েদেরকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করা, যৌন হয়রানী তার স্বভাবে পরিনত হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক গ্রামবাসীর অভিযোগ। এ ব্যাপারে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়, শামীম মাতুব্বরের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ধারায় যে মামলা হয়েছে আইন তথা সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন সেভাবে চলবে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।