বৃহস্পতিবার, ২২শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, রাত ২:৫১

মা বাবার স্বপ্ন কে বিলিয়ে দিয়েছি ছাত্রলীগের প্রতিটি শ্লোগানে।

মা বাবার স্বপ্ন কে বিলিয়ে দিয়েছি ছাত্রলীগের প্রতিটি শ্লোগানে।

বঙ্গকন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে বিশেষ অনুরোধ। 

ছাএ জীবনের সেই সোনালী দিন গুলোকে ফিরিয়ে দিন আমাদের। যখন থাকার কথা ছিল ক্লাস রুমে অথবা ক্যাম্পাসে কোন প্রেমিকার পাশে বসে ভালবাসার রঙিন স্বপ্নের জাল বুনা কিংবা লাইব্রেরীতে বসে অধ্যয়ন করার। কিন্ত ছাএলীগের প্রেমে পরে যখন ক্লাস রুমে থাকার কথা ছিল তখন থাকতাম ছাত্রলীগের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য কোন মিছিলে অথবা সংগঠনের কাজে ক্লাস ডায়েচে অথবা কোন সাধারণ ছাএদের কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টায়। ক্লাস শেষে যখন প্রেমিকের হাতে হাত রেখে চোখে চোখ রেখে হারিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তখন ছাত্রলীগ নেতারা থাকতাম নেতা-কর্মীদের নিয়ে আড্ডা বা কোন চায়ের দোকানে ছোট ভাইদের চা খাইতে ব্যস্ত । আর যখন থাকার কথা ছিল রিডিং রুমে অথবা লাইব্রেরীতে তখন থাকতে হত কোন সিনিয়র নেতাদের সাক্ষাতের অপেক্ষায়। ছাত্রলীগের রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামের অগ্রভাগে থাকার কারনে তো ছিল হামলা মামলা।ছাত্রলীগের নেতাদের সংগঠন করতে টাকা পয়সার প্রয়োজন নেই । শুধু নেতাদের হুকুমে কাল হরতালের মিছিলে সব চেয়ে বর মিছিল আনতে হবে।ছাত্রলীগের মিছিলে বর শোডাওন দিতে হবে। নেতা কর্মীদের সিঙ্গাড়া চা খাওনোর জন্য দরকার পাচ হাজার টাকা কোথায় পাব টাকা।মা বাবাকে বলতে হবে মোবাইল টি ভেঙেগেছে অথবা অসুখ হয়েছে ডাক্তার দেখানো লাগবে অথবা মায়ের আচলে বাধা বাজার থেকে অল্প অল্প ঝোমান টাকা চুরি করে অথবা রুম মেটের কাছে হাত পাতা। বাবা মা স্বপ্ন দেখছে ছেলে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে মস্ত বর অফিসার। মা বাবার কাছ থেকেই প্রতি মাসেই বই কেনার কথা বলে অথবা সামনে পরীক্ষা আর দুইটা প্রাইভেট বেশি পরা লাগবে। মা বাবার সাথে মিথ্যা কথা বলে আপা ছাএলীগকে যারা শক্তিশালী করেছে।যারা আন্দোলন সংগ্রাম করে অথাৎ যাদের রক্তের উপর দিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছে।যারা হাসিনা মুক্তির আন্দোলন করে রাজপথে ঘাম ঝরিয়ে আপনাকে মুক্ত করছে।আপা তাদের ঘামের গন্ধ এখন রাজ পথে পাওয়া যায় । তাদের জন্য আপা কতটুকু করেছেন বা করতে পেরেছেন তা আপনি ভাল জানেন । যারা এই ছাএলীগ ও আপা আপনার জন্য জীবন সবচেয়ে মধুর সময় ব্যয় করেছেন । নিজের জীবনের লক্ষ্য তুলে দিয়েছেন আপনার হাতে । মা বাবার স্বপ্ন কে মিশিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগের প্রতিটি শ্লোগানে। তাদের কে ছাএলীগ করেছে এতিম আপনি করেছেন সাবেক । আর আপনার আওয়ামীলীগ বলছে রিটেনে এলাউ হয়ে আস বা কি চমৎকার । ছাত্রলীগ নেতারা যদি পড়াশুনা করার সময় পেত তাহলে ঔ সব আওয়ামীলীগের নেতাদের কাছে কে ছোট হতে যেত। এমন বিষয় ছিল অহরহ। যে, কোন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি পড়াশুনাটা কোন রকমে চালিয়ে গেলেও পরীক্ষা দিতে পারেনি অনিবার্য কারণ বশতঃ। অন্যথায় পরীক্ষা হলে যেতে পারলেও পূর্বতন অধ্যায় অধ্যয়নের সময় পায়নি। একটা কথা মনে রাখা উচিত আপনার ছাএলীগের একজন নেতা-কর্মী আপনার সাথে বেইমানী করে নাই। আজ ছাএলীগ সাবেক ছাত্রনেতারা কেন ট্রেন্ডার বাজী করবে না কেন বা সন্ত্রাসী হবে না। যদি বলেন, তবে আমরা প্রয়াত ব্রিগেয়িার খালেদ মোশারেফের বক্তব্য ধারণ করবো- স্বাধীন দেশ মৃত গেরিলাদের ভালবাসে। অর্থাৎ যাদের ত্যাগ আর রক্ত ঘামের বিনিময়ে মহিরুহু ছাত্রলীগ আজও মহিরুহু। তাদের জীবিত থাকাটাই বিরম্বনা। তবে কোন কথা নেই। অন্যথায় জীবিত সেই ত্যাগী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের গত্যন্তর কোথায়। টেন্ডারবাজী, সন্ত্রাস ছাত্রলীগের ঐতিহ্যে কখনোই ছিলনা। এখনকি পরিস্থিতি চাহিদা অন্যকথা বলবে।
কিউবা উত্তর কোরিয়ার মত প্রগতিশীল দেশগুলোতে অনুষ্ঠিত সারা বিশ্বের ছাত্র-যুব সংগ্রেসে ছাত্রলীগের কোন অংশগ্রহণ নেই। বিকল্প ছাত্র-যুব কংগ্রেস করার উদ্যোগ আছে বলেও প্রতিয়মান নয়। যে সমাজে ছাত্র-যুবদের উপস্থিতি থাকে সে সমাজ কি খুব বেশী গতি লাভ করে। এবং আওয়ামী ছাত্রলীগের মত ঐতিহ্যবাহী সংগ্রামী ছাত্র সংগঠন এদেশে আরএকটি খুঁজে দেখান। অবশ্যই চাকুরী কিংবা কাউকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ পাকও নেন না, আপনি নেবেন কিভাবে। কেউ আল্লাহ পাকের রাস্তায় ১০ পা হাটলে আল্লাহ পাক তার দিকে ১শত পা আগান। ভিক্ষুকের হাতে কুড়াল ধরিয়ে দুনিয়ার নবিজি শ্রমলব্ধ উপার্জনের পরামর্শ দেন। আমরা এসব কথা জেনেই বলছি।
শাসন বিভাগ এবং তার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পূর্বের থেকে বর্তমানে ইতিবাচক। যে বা যারা যতই বলুক বা লিখুক বিষয়টি তবুও দৃশ্যমান সত্য- কারা সরকার বিরোধিতার নামে রাষ্ট্রের বিরোধিতা করছে আর কারা আদর্শের জন্য কৃচ্ছতা সাধন করে তা তাদের জ্ঞাত।
ছাত্র নেতারা ছাএলীগ ও আওয়ামীলীগকে শুধু দিয়ে যাবে। তাদের জন্য আপা আপনার করার আছে। অবশ্যই আপনার এই সব রাজপথের ত্যাগী নেতা কর্মীদের খুজে বের করে আনতে হবে।আপনার কাছে চাইলে সবাই যেতে পারে না বা তাদের হতাশার নিঃশ্বাস হয়ত আপনার কাছে পৌঁছাবে না। আপা যদি মনে করেন সারা বাংলাদেশ ৬৪ জেলা থেকে অনন্ত পক্ষে দশজন করে মোট ৬৪০ সাবেক ছাএনেতাদের কে প্রতি বছর তৃণমূল থেকে তুলে এনে চাকুরী বা সংগঠন করার সুযোগ দেন। তাহলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ বা আওয়ামীলীগের সহযোগি সংগঠনের কোন অপবাদ আপনাকে ছুতে পারবে না।মাএ ৬৪০ জন নেতা কর্মীর দায়িত্ব আপনি নিতে পারবেন না।কিন্ত এই ৬৪০জন নেতা কর্মী বাছাইয়ের দায়িত্ব দিতে হবে সি টি এস বি,ডিজিএফআই, এনএস আই এর হাতে। আপা ভুলে হলে ক্ষমা করে দিবেন । কারন আপনি ছাড়া আমাদের কেউ নেই। এটাই শেষ এবং সত্য কথা।বিঃদ্রঃ বঙ্গবন্ধু একদা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছার সাথে কথা বলছিল। মেঝেতে শিশু শেখ কামাল শেখ হাসিনার সাথে। হঠাৎ বঙ্গবন্ধু শুনতে পেলেন শিশু কামাল বলছে, হাসিনা বুবু আমিকি তোমার আব্বা কে আমার আব্বা বলতে পারি। দু’ চোখের পানি সামলে বঙ্গবন্ধু মেঝেতে নেমে শিশু কামালকে বুকে তুলে বললো হ্যা বাবা আমি তোমারও বাবা। কারো কোন ছবক ছাড়াই বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীর পিতা। আপনি জনগণের নেত্রী, আমাদের নেত্রী এবং দেশরত্ন।

মোঃ মঈন তুষার।
ভিপি
বি.এম.কলেজ,বরিশাল ।

1006Shares
Categories

Desing & Developed BY EngineerBD.Net