মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০১৯ ইং, বিকাল ৪:৫৩

সেন্টমার্টিনে সুপার টেন

সেন্টমার্টিনে সুপার টেন

dynamic-sidebar

টেকনাফ ঘাটে গাড়ি থামে সকাল ৮টায়। হাল্কা শীত আর পাতলা কুয়াশা পাত্তা পায়নি সুপার টেনের তরুণদের কাছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা সমুদ্রগামী সিন্দাবাদে উঠে। একদিকে স্বদেশ ওপাশে মিয়ানমার। নাফনদী ধরে জাহাজ ছুটে সেন্টমার্টিনের দিকে। সুপার টেনের সদস্যদের উল্লাসধ্বনিতে দিকবেদিক উড়তে থাকে গাংচিল। সমুদ্রের রোলিং এর সাথে তাল রেখে সুপার টেন ও নৃত্য করে।

বেলা বারটা। কেউ বাধা মানল না। সিডিউল রক্ষা করল না। হোটেলে ব্যাগ-ব্যাগেজ রেখে নর্থ বিচের দিকে ছুটল। ফুটবলটা প্রথম ধাক্কায় অকার্যকর হয়ে যায়। তারপর শুরু হয় কুস্তি। হাই জাম্প। লং জাম্প। জলক্রীড়া।

মধ্যাহ্ন ভোজ। আতপ চালের ভাত। সমুদ্রের নানা জাতের ভাজা মাছ, সব্জি, ডাল। জনপ্রতি প্যাকেজ ছিল-২০০টাকা। ওরা তার উপযুক্ত ব্যবহার করে। হোটেল ম্যানেজারের মাথায় হাত। চাটাগাইয়া ম্যানেজার মিনতি করে বলল, কিছু বাড়িয়ে না দিল চালান থাকে না।

অস্তগামী সূর্যকে বিদায় দিতে ওরা বিচে ছিল। টি শার্ট আর থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট পড়নে। সবাই অর্ধ ভেজা। ফটো সেশন চলে বিরতিহীনভাবে। সামুক, ঝিনুক, শৈবাল, অর্ধ মৃত মাছ শিকার দ্বারা সবাই নিজ নিজ সংগ্রহশালা সৃমৃদ্ধ করে। নুড়ি পাথর তাদের বোঝা বাড়িয়ে দেয়। রোহিংগা ছেলেরা সামান্য ক’টা টাকার জন্য পিছে পিছে ঘুরে। ওরা তাদের কাজে লাগায়। সমস্যা হলো, ওদের ভাষা দুবোর্ধ্য। সূর্য ডুবার পর সৈকতে সামুদ্রিক মাছের মেজবান বসে। ইদানিং ফ্রাই কাকড়ার দাম উর্ধ্বমুখি। দিবসের শেষটা পানসে ছিল। তিনটি চেয়ার ভাড়া করে একত্র করা হয়। বলা ছিল, সুপার টেন দেড় ঘন্টা বসবে। উঠে আসার সময় চেয়ারের মালিক তিনগুণ বেশি টাকা দাবি করে। কখন রাত সাড়ে বারটা বেজেছে কেউ টের পায়নি। সেই পরিমাণ টাকা দিতে গড়িমসি করে সমুদ্রজয়ী তরুণরা।

0Shares

Count currently

  • 174664Visitors currently online:

Counter Total

Facebook Pagelike Widget

Desing & Developed BY EngineerBD.Net