বিজ্ঞপ্তি: চোখ রাখুন দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকায় , নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সারা বাংলাদেশে নিয়োগ চলছে জেলা-উপজেলা ভিত্তিক নিয়োগ চলছে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নিউজ আপনার এলাকায় ঘটে যাওয়া যেকোন ধরনের আমাদের এখানে মেইল করতে পারেন , daily.bangladesh.bani@gmail.com এবং বিস্তারিত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। 01933609075



হাইব্রিড দূর্নীতিবাজ প্রতারক সাহেদ দের জয়জয় কার আওয়ামীলীগের দূরর্দিনের ত্যাগী নেতা কর্মীরা কোনঠাসা,নির্যাতিত ও নিপীড়িত ।।

ভিপি মোঃ মঈন তুষার

প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২০ ১:৪৩ অপরাহ্ণ
Print Friendly and PDF

 

জহুরুল ইসলাম জুয়েল :

বিরোধী আমল ও ১/১১ এর আমল আওয়ামী রাজনীতি’র জন্য এক করুণ অধ্যায়,সেই বিরোধী আমলে আমরা যারা আওয়ামী লীগ এর রাজনীতির জন্য রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি আমরা তারা এখন সব কিছু থেকে বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত এবং নিপীড়িত নির্যাতিত।বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে’র ছাত্র থাকাকালীন তৎকালীন বি,এম কলেজ এর ভি.পি ও কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের সহ সভাপতি মশিউর আলম সেন্টু’র দ্বারা আমরা এই নির্যাতনের শিকার হই।তখন আমরা যারা ছাত্র রাজনীতি করতাম সবাই ছিলাম আপন ভাইয়ের মতো।সেই বিরোধী আমলে যারা বি,এম কলেজ এর ছাত্রলীগ এর নেতৃত্বে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলো মোঃ মঈন তুষার,বসন্ত উজ্জ্বল ভাই,জিয়া ভাই,মিজান ভাই,শুভ শেন,মাসুদ ভাই,রফিক সেরনিয়াবাত,মৌলী আপা এবং আমি জুয়েল সহ আমরা অনেকেই জননেত্রী শেখ হাসিনার কারা মুক্তির দাবিতে রাজপথে বিক্ষোভ আন্দোলন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।আর আজ দেখি সাহেদ এর মতো লোক দের জয়জয় কার?? বড় কষ্ট ভীষন কষ্ট কলিজায় ভিতরে মনের ভেতরে!এই দায় ভার কার আমার মতো দূরর্দিনের সকোল নেতা কর্মীদের প্রশ্ন?ত্যাগী কর্মীদের কোণঠাসা করে রাখার গভীর ষড়যন্ত্রে কারা লিপ্ত,তাদের খুঁজে বের করুন তাদের শাস্তি দিন,তাদের অবৈধ ভাবে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন।আর আমাদের মতো দূরর্দিনের ত্যাগী কর্মীদের আপনি ছাড়া আর কোন অভিভাবক নেই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা,আপনি আমাদের অভিভাবক।

আওয়ামী লীগে সাহেদদের ছড়াছড়ি দেখে একটা কথা মনে হলো। ১৯৭৫ থেকে ’৯৬- এ ২১ বছর যারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ করেছেন; তারা এখন কে কোথায়? এ ধরনের একটা গবেষণা এখন আওয়ামী লীগের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ২১ বছরকে আবার তিন ভাগে ভাগ করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ভাগটি ’৭৫ থেকে ’৮১, সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকে শেখ হাসিনা দেশে আসার আগ পর্যন্ত।

এ ভাগের আবার দুটি অংশ আছে। প্রথম অংশে যারা জীবনের ঝুঁঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার সশস্ত্র প্রতিবাদ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেকে জীবনও দিয়েছেন। প্রথম ভাগের দ্বিতীয় অংশে যারা আছেন তারাও প্রাণের মায়া না করে ভয়ঙ্কর প্রতিকূল সময়ে আওয়ামী লীগের পতাকা উড্ডীন রেখেছেন, ভাসিয়ে রেখেছেন নৌকা। প্রথম ভাগের এ নেতা-কর্মীরা হলেন সবচেয়ে খাঁটি, পরীক্ষিত ও সাহসী আওয়ামী লীগার। এরা স্রেফ বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে, আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে দল করেছেন। তখন আওয়ামী লীগ টিকে থাকবে কিনা তা নিয়েই সংশয় ছিল।

তখন তারা কোনো কিছু পাওয়ার আশা না করেই আওয়ামী লীগ করেছেন। পাওয়া দূরের কথা, জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের স্টিম রোলার তাদের পিষ্ট করেছে প্রতিদিন। সকালে উঠেও জানতেন না রাতে বাসায় ফিরতে পারবেন, নাকি পালাতে হবে, নাকি কারাগারে বা রিমান্ডে থাকবেন। এ রকম ভবিষ্যৎহীন সময়েও যারা প্রায় নেতৃত্বহীন অবস্থায় সংগঠনকে টিকিয়ে রেখেছিলেন, মাঝিবিহীন নৌকাকে যারা ডুবতে দেননি, বিপথে যেতে দেননি; তারা হলেন আওয়ামী লীগের নির্যাস, সংগঠনের বীজ। যত ঝড়-ঝাপটাই আসুক অপমানে, অবহেলায় আড়ালে লুকিয়ে থাকা এ বীজেরাই আবার প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের নৌকার হাল ধরবেন।

দ্বিতীয় ভাগ হলো, ’৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর থেকে ’৯০ সালে স্বৈরাচার পতন বা ’৯১ সালের নির্বাচন পর্যন্ত। এ ভাগের নেতা-কর্মীরা প্রথম ভাগের মতো অভাগা নন, নেতৃত্বহীন নন। ভবিষ্যতের কোনো স্বপ্ন না থাকলেও তাদের সামনে ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। যারা ’৭৫ থেকে ’৮১ পর্যন্ত দিশাহীন আওয়ামী লীগের হাল ধরে ছিলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরায় তারাও দিশা পেলেন। ধ্বংস হয়ে যাওয়াকেই যার নিয়তি মনে হচ্ছিল সেই আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রাম শুরু করল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।

আওয়ামী লীগের বীজেরা ছয় বছর কোনোরকমে নৌকাটি ভাসিয়ে রেখেছিলেন বলেই শেখ হাসিনা তার হাল ধরতে পেরেছিলেন। ’৮১ থেকে ’৯১- পুনর্গঠনের এ সময় ছিল স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের। এ সময়ের নেতা-কর্মীরাও খাঁটি। কখনো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাবে, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন, এ ভাবনা ভেবে তখন কেউ আওয়ামী লীগ করেননি। করেছেন বঙ্গবন্ধু আর তাঁর কন্যাকে ভালোবেসে। ’৯১ থেকে ’৯৬- এ সময়টাও আওয়ামী লীগের জন্য সংগ্রামের। স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও আওয়ামী লীগের রাজপথের সংগ্রাম শেষ হয়নি। ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন তখন অনেক বেশি বাস্তব, অনেক কাছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচনে জিতলেই ক্ষমতা, এটা জানলেও তাদের তখনো অনেক অত্যাচার-নির্যাতন সইতে হয়েছে। এ সময়ের নেতা-কর্মীদের চোখে ক্ষমতার স্বপ্ন থাকলেও তারাও দলীয় আনুগত্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগের ২১ বছরের বঞ্চনার অবসান ঘটে। জনরায় নিয়ে ক্ষমতায় যায় দলটি। তখনকার আবেগটাই অন্যরকম। যে দেশ স্বাধীন করেছেন, সে দেশে ২১ বছর নিষিদ্ধ ছিলেন বঙ্গবন্ধু। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম যেদিন টেলিভিশনে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার হয়েছিল,সেদিন অন্যরকম এক আবেগ বয়ে গিয়েছিল সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে। কিন্তু বিশুদ্ধ সেই সর্বজনীন আবেগটা ধরে রাখতে পারেনি আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগ আরও বেশি নিজেদের করে নিয়েছে। ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ক্ষমতার জোয়ার আসে। সে জোয়ারে ভেসে যান অনেক পুরনো,ত্যাগী,অভিমানী আওয়ামী লীগার।আর ক্ষমতার জোয়ারে ভেসে আসা কচুরিপানা দখল করে নেয় অনেক কিছু। ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় কেমন যেন বেমানান লাগছিল। নেতা-কর্মীরাও যেন ক্ষমতায় অনভ্যস্ত। শুনেছি ময়মনসিংহের একজন আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন শামসুল হক নামে। তিনি গোঁয়ার প্রকৃতির ছিলেন বলে তাকে সবাই ‘গাইরা শামসু’ বলে ডাকত। তার সেই গোঁয়ার্তুমির উৎস ছিল আসলে সততা,শক্তি ছিল জনগণ। তার গলা এত চড়া ছিল যে,মাইক না থাকলেও সংসদে সবাই তার কথা শুনতে পেতেন। তাই স্পিকার মাইক অফ করে দিলেও তিনি তার বক্তব্য চালিয়ে যেতেন। শামসুল হক না থামা পর্যন্ত পরবর্তী বক্তা বলা শুরু করতেন না। আঞ্চলিক ভাষায় তার কড়া বক্তৃতা উপভোগ করতেন সবাই।বলার সময় সরকারি দল-বিরোধী দল কিছু

বিবেচনা করতেন না।

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। এই মাটিঘনিষ্ঠ,জনবান্ধব নেতাকে অনেকেরই ভালো লাগত।একদিন নাকি তিনি সংসদ থেকে বেরোনোর পথে হাঁটতে হাঁটতে বলেছিলেন, ‘আমরা হইলাম গিয়া বিরোধী দলের লোক। দল সরকারে গিয়া আমরা বিপদে পড়ছি। মন খুইলা কথা বলতে পারি না। ’ এই এত দিন পর শামসুল হকের কণ্ঠের প্রতিধ্বনি শুনলাম তারই মতো আরেক ত্যাগী আওয়ামী লীগারের গলায়। তাকে ঠিক আওয়ামী লীগার বলা ঠিক হবে না।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথের সাহসী ও ত্যাগী সেই ছাত্রলীগ নেতার এখন কোনো রাজনৈতিক ঠাঁই নেই। কিন্তু দলের প্রতি,বঙ্গবন্ধুর প্রতি,শেখ হাসিনার প্রতি ভালোবাসা আছে আগের মতোই। কণ্ঠে একসাগর অভিমান নিয়ে বললেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে আমরা বিধবা। ’ কোথাও ঠাঁই না পাওয়া এমন অনেক ত্যাগী ছাত্রলীগারের সঙ্গে দেখা হয়,কথা হয়। বলতে বলতে অনেকের চোখ জলে ভিজে যায়। উপজেলা পর্যায়ের এক ত্যাগী প্রবীণ শিক্ষক বলেন এখন আর আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠানে যাই না। তাও ১৫ আগস্ট বা এ ধরনের কিছু অনুষ্ঠানে মন মানে না। যাই,গিয়ে খুব সাবধানে পেছনের দিকে বসে থাকি। আগে সামনেই বসতাম। কিন্তু হঠাৎ আসা চ্যাংড়া আওয়ামী লীগাররা এসে বলে, চাচা মিয়া ওঠেন, এখানে ভাই বসে! তাই লজ্জায় আর যাই না, গেলেও পেছনে বসি। ’ এমন অনেক পরীক্ষিত,ত্যাগী আওয়ামী লীগারের হাহাকার এখনো ভেসে বেড়ায় বাতাসে।

২১ বছর পর ’৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগে সুবিধাবাদী,ক্ষমতালোভীর আনাগোনা শুরু হয়। আর ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর তারাই এখন সংখ্যাগুরু। আওয়ামী লীগের বিপদের বন্ধুরা এখন অভিমানে আড়ালে চুপচাপ। আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকার যুগপূর্তি হচ্ছে। আওয়ামী লীগে এখন নেতা-কর্মীর অভাব নেই। সারা দেশেই আওয়ামী লীগের ছড়াছড়ি। আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনে শত শত সাহেদের অবাধ বিচরণ। কেউ কোনো অপকর্ম করে ধরা পড়লেই আওয়ামী লীগ দ্রুত তার সঙ্গে বিএনপি,জামায়াত বা হাওয়া ভবনের সম্পৃক্ততা আবিষ্কার করে ফেলে! সাহেদও নাকি হাওয়া ভবনের লোক। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো,হাওয়া ভবনের লোক কীভাবে আওয়ামী লীগের উপকমিটিতে ঢোকার সুযোগ পেল! কারা তাকে দলে নিল? সাহেদের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে,বিচার হবে। কিন্তু আমি চাই, আওয়ামী লীগ এ ঘটনার একটা সাংগঠনিক তদন্ত করুক। এটার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করুক। সাহেদ কীভাবে আওয়ামী লীগের উপকমিটিতে ঢুকল তা বের করতে মাসুদ রানা হতে হবে না। চাইলে এক ঘণ্টার মধ্যে পুরো রহস্য ভেদ করা সম্ভব। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগে ভিড় করা এসব হাইব্রিড, কাউয়ার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। কিন্তু মুখে মুখে সোচ্চার হলেই হবে না। খুঁজে খুঁজে হাইব্রিডদের চিহ্নিত ও বহিষ্কার করতে হবে এবং কাদের মাধ্যমে তারা দলে এলো তাদেরও খুঁজে বের করতে হবে। ১২ বছর পর এসে অপকর্মের দায় বিএনপি-জামায়াত-হাওয়া ভবনের ঘাড়ে চাপিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। এখন সব দায়দায়িত্ব আওয়ামী লীগকেই নিতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, এই সাহেদদের কেন আওয়ামী লীগে ঠাঁই দিতে হবে? আওয়ামী লীগে কি নেতার অভাব পড়েছে? ত্যাগী নেতারা দলে ঠাঁই না পেয়ে পথে পথে ঘুরবে আর সাহেদরা আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপকমিটির বৈঠকের ছবি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেবেন। বঙ্গভবন, গণভবন ঘুরে ঘুরে আওয়ামী লীগের বারোটা বাজিয়ে নিজেদের আখের গোছাবে। এটা কেন হবে? বেশি কিছু করার দরকার নেই, ’৭৫-এর পর থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন নামি দামি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়,মেডিকেল কলেজের কমিটির তালিকা নিয়ে বসলেই সমস্যা মিটে যাবে। এ কমিটির ছেলেরাই এখন লোক হয়ে গেছেন,সমাজের,সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। তাদের খুঁজে বের করে তাদের মধ্য থেকে যোগ্যদের বিভিন্ন দায়িত্ব দিলেই আর বিএনপি-জামায়াত জুজুতে ভুগতে হবে না। ’৭৫-এর পরের অতি দুঃসময়ে কারা ছাত্রলীগ করতেন, তা ওবায়দুল কাদেরের চেয়ে বেশি আর কে চেনে। তিনিই তখন ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছিলেন। তিনিই তো পারেন খুঁজে খুঁজে ছাত্রলীগের ত্যাগী নেতাদের বের করতে, তাদের কাজে লাগাতে। কেউ কিছু করলেই বলে,অমুক ড্যাব করে,তমুকের বাবা রাজাকার। কেন ভাই! তাদের নিয়োগ দেওয়ার আগে আপনি তাদের সিভি দেখেননি? তারা তো আর নিয়োগ পাওয়ার পর ড্যাবে যোগ দেয়নি বা তাদের বাবা তো ২০২০ সালে রাজাকার হননি। ড্যাব করা যদি অপরাধ হয়,তাহলে তো আগে নিয়োগদাতাকে ধরতে হবে।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের বাদ দিয়ে কেন সাহেদদের কমিটিতে ঠাঁই দেওয়া হয়? এ প্রশ্নের একটা ব্যাখ্যা আছে আওয়ামী সার্কেলে। সাহেদদের কমিটিতে নিলে ক্যাশ বা ব্যক্তিগত একাউন্ডে নানা সুবিধা পাওয়া যাবে। কিন্তু ছাত্রলীগ নেতাদের নিলে তো তাদের কাছ থেকে ঘুষ পাওয়া দূরের কথা, চাওয়াই যাবে না। আওয়ামী লীগের হাইব্রিডদের বিরুদ্ধে অনেক বক্তৃতাবিপ্লব হয়েছে, অনেক শুদ্ধি অভিযানের গল্প শুনেছি। কিন্তু বাস্তবে একদম হাতেনাতে ধরা না পড়া পর্যন্ত সবাই বহাল তবিয়তেই থাকছে। হাইব্রিডের ঘুণপোকারা যেভাবে নৌকাকে কুরে কুরে খাচ্ছে তাতে বিপদে পড়লে নৌকা ভাসিয়ে রাখাই মুশকিল হবে। তখন হয়তো আবার সেই অভিমানে আড়ালে থাকা ত্যাগী কর্মীদেরই এসে হাল ধরতে হবে ।। **লেখক : সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম **

 

 

খবরটি 840 বার পঠিত হয়েছে

সম্পাদক-প্রকাশক আলহাজ্ব ভিপি মঈন তুষার । যোগাযোগ +880 01933609075 মেইল করুন daily.bangladesh.bani@gmail.com