নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে পারলে সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয় আমার উপাসনালয়, সদকায়ে জারিয়াহর ইবাদতখানা হিসেবে আমি শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রূপান্তর করতে হবে। তাহলে আমরা পুরো পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিতে পারবো।
আজ ০৭ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে- মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশাল আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালকরা (পিডিরা) চালাকি করে পার পাবেন না। আমাদেরকে
‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ নীতিতে যেতেই হবে। আমরা আশাবাদী যে, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- আগামীতে জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে প্রদান করা হবে।
তিনি বলেন, কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশের হার শুণ্য হলেও এমপিও বাতিল হবে না, তবে এই সুযোগ শুধু এবারের জন্যই। এটা বাস্তবায়নের জন্য পড়ালেখার মান উন্নয়নে শিক্ষকদেরকে ক্লোজ মনিটরিংয়ে রাখতে হবে।
ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন আরো বলেন, আগামী দিনে সারাদেশে একক প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণের চিন্তা চলছে। এবিষয়ে উপস্থিত শিক্ষকরা ইতিবাচক মতামত প্রদান করেন।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইউনুস আলী সিদ্দিকী।
বক্তব্য রাখেন বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. তৌফিক আলম, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিয়া মো. নুরুল হক।
মন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক কম্যুনিটির অংশ। বৈশ্বিক মেধা ও প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ ও দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে দেশ ও জাতি পিছিয়ে পড়বে।
আগামীতে অভিন্ন প্রশ্নে সকল বোর্ডে পরীক্ষা নেয়া হবে। তাতে বোর্ড ভিত্তিক প্রশ্নের বিভিন্ন মানের কারণে কোন শিক্ষার্থী বৈষম্যের শিকার হবেনা। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে মন্ত্রণালয়ের খরচে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যয় বহন করবে। এমসিকিউ পরীক্ষার পুরো সময় ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে।
জুলাই অভ্যুত্থানে পরাজিত সরকার শিক্ষক কল্যাণ ট্রাষ্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের সাত হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে, তাই শিক্ষকরা তাদের অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন।
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।