বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২৬

পর্যটকদের নজর কেড়েছে খেজুর গাছিয়া সি-বিচ

নুর উল্লাহ আরিফ, চরফ্যাশন ভোলাঃ
দ্বীপের রাণী ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা ভ্রমণ পিয়াসীদের কাছে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চর কুকরি মুকরি, তারুয়া সমুদ্র সৈকত, বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক, এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ার ও চরফ্যাশন শিশু বিনোদনকেন্দ্রগুলো পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে তুমুল জনপ্রিয়। এসব কেন্দ্রগুলোতে উৎসব পুজা-পার্বণ ছাড়াও প্রতিনিয়ত পর্যটকদের সরব উপস্থিতি লেগেই থাকে। সম্প্রতিকালে পর্যটকদের নিকট উপজেলার বিস্তৃত বালচর ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা খেজুর গাছিয়া অঞ্চলটি নতুন পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছে। দর্শনার্থীদের কাছে এটি এখন খেজুর গাছিয়া সি বিচ হিসেবে সমধিক পরিচিত।
খেজুর গাছিয়া সি বিচটি মূলত আরেক পর্যটনকেন্দ্র চর কুকরি-মুকরির নিকটবর্তী একটি উপকূলীয় স্থান, যা ভ্রমণ প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় এবং নতুনরূপে সাজানো শান্ত- স্নিগ্ধ পরিবেশের সোপান। সাগরের অপরূপ দৃশ্য উপভোগের চমৎকার নিরিবিলি প্রাকৃতিক অনিন্দ্য সৌন্দর্যের লীলাভূমি । বিস্তৃত সোনালী বিকিরণ ছড়ানো বালুচর, অনতিদূরে ঝাউবনের শনশন শব্দে বিমোহিত মনে দোলা দেয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে টেনে আনে সফেদ ফেনিল জলরাশির স্বপ্নীল মোহনায়। শান্তি -সুখের প্রশান্তিময় দ্যোতনা তৈরি হয় কর্মব্যস্তময় জীবনের পরতে । পানীয়-জলের সাথে বিস্তৃত বালি রাশির উপস্থিতি থাকায় অনেক পর্যটক সৈকতটিকে মিনি কক্সবাজার হিসেবেও অবহিত করেন। এটি প্রাকৃতিক বালুময় সৈকত, যা গর্জনশীল মেঘনা নদীর জলরাশি, সোনালী বালি এবং অনতিদূরে ঝাউবনের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। বিকেলে বিস্তৃর্ণ খোলা আকাশ ও সমুদ্রের রঙ পরিবর্তন হয়ে নান্দনিক সূর্যাস্তের দৃশ্য, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে নিয়ে যায় নতুন মোহনায়। চিকচিক বালিরাশির সৌন্দর্য উপভোগে দর্শনার্থীদের উপস্থিতে প্রাণবন্ত থাকে সিবিচের এ ধার ও ধার।
বরিশাল বাবুগঞ্জ থেকে ঘুরতে আশা বায়েজিদ মামুন নামের এক পর্যটক বলেন, চরফ্যাশনের কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে এখানে এসেছি, জায়গাটি সত্যি অসাধারণ, হৃদয়ে দোলা দিয়েছে, এটি প্রাকৃতিক বালুময় সৈকত, যা গর্জনশীল মেঘনা নদীর জলরাশি, সোনালী বালি এবং অনতিদূরে ঝাউবনের উপস্থিতি জানান দেয় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কথা। বন্ধুদের নিয়ে আবারও ঘুরতে আসব এখানে।
কোস্টাল সাংবাদিক শাহাবউদ্দিন রিপন বলেন, যথাযথ প্রচার ও সরকারি বেসরকারিভাবে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা গেলে সম্ভাবনাময় খেজুর গাছিয়া সৈকতের পর্যটন স্পটটি এ অঞ্চলের আর্থিক খাতে বিপুল অবদান রাখবে। ইতোমধ্যে সিবিচকে ঘিরে স্থানীয় বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের দোকানপাটের বেচাবিক্রিতে সময় ব্যয় করছেন তারা।
চরফ্যাশন শহর থেকে সড়ক পথে ঐতিহ্যবাহী চেয়ারম্যান বাজার অতিক্রম করে খেজুর গাছিয়া সিবিচে যাতায়াত করতে হয়। এতে পুরো যোগাযোগ মাধ্যাম সড়ক পথ। এখানে বৃহত্তর একটি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রও রয়েছে।যেখানে দিন-রাতের প্রায় সব সময়ই বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়।

আরো পড়ুন

বরিশাল নগরীর বর্মন রোড এলাকার ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বর্মন পরিবারের উত্তরসূরি সুব্রত প্রসাদ বর্মন মিঠু

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *