কলাপাড়া প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চুরি করে জবাই শেষে মাংস ভাগাভাগি করে নেওয়ার ঘটনায় মনসুর জমাদ্দার নামে একজনকে প্রধান আসামি করে কলাপাড়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চরমোনাই পীরের অনুসারী একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম কলাপাড়া থানায় এই মামলাটি করেন। এ ঘটনায় বিক্রির সময় ১২ কেজি মাংসসহ আজিজুল বয়াতী নামের আরেক আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও আল-আমিন, মো. লিটন, মো. ইসমাইল নামে কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর চরপাড়া গ্রামের এই ঘটনা গ্রামজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। মামলায় বলা হয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে রফিকুল ইসলামের খোঁয়াড় থেকে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের চার বছর বয়সী একটি বকনা গরু চুরি করে নিয়ে যায় আসামিরা। পরে গ্রাম সংলগ্ন নদীরপাড়ে নিয়ে গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রি করে দেয়।
গরুর মাথা কাঁদার মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়, পরে বিষয়টি জানতে পেরে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী রফিকুল। মঙ্গলবার বিকালে ১২ কেজি মাংস বিক্রিকালে এক আসামি আজিজুলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বুধবার নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই গরুর মাথা উদ্ধার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোফাজ্জেল হোসেন জানান, গরুটি চুরি করে জবাই দিয়ে মাংস ভাগাভাগি করে নেয়।
ওই মাংস কলাপাড়ার মিলন কসাইর কাছে বিক্রির সময় মঙ্গলবার বিকালে ১২ কেজি মাংসসহ এক আসামি আজিজুল বয়াতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার জবানবন্দী রেকর্ড করার জন্য পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। এদিকে জানা গেছে, এ ঘটনার প্রধান আসামি মনসুর জমাদ্দার জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন সভাপতি। এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আব্দুস সালাম তালুকদার জানান, এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতির নির্দেশনায় মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি-সেক্রেটারিকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দোষী প্রমাণ হলে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।