ববি প্রতিনিধি
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষক আতিকুল হক ফরাজির ইনকিলাব শব্দ নিয়ে ফেসবুকের ব্যঙ্গাত্মক একটি পোস্ট ও অশালীন, ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পরবর্তীতে ঐ শিক্ষক ফেসবুক পোস্টটি ডিলেট করে দিয়েছেন। আতিকুল হক ফরাজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক এবং শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক। গতকাল শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সম্প্রতি অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের একটি পোস্ট করেন। ফজলুর রহমান পোস্টে লিখেছিলেন, “‘ইনকিলাব’ বলে দেশটা স্বাধীন হয়নি, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েই স্বাধীন হয়েছে। ভাষাবর্গীরা বাংলা ছাড়, বাংলা আমার বাপ-দাদার।” ফজলুর রহমানের ঐ পোস্ট নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করেন আতিকুল হক ফরাজি। ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে নাহিন রেজওয়ান নামে এক শিক্ষার্থীর মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে আতিকুল হক লিখেছেন, “ইনকিলাব কারা বলে আর সাধারণ ছাত্র পরিচয়ে গুপ্ত পাকি জারজদের সবাই চিনে গেছে। বাংলাদেশে স্বাধিনতা কে ধারণ করে ই রাজনিতি করতে হবে এটা এখন প্রমাণিত সত্য, তার জন্য ই করনেল অলি কে নতুনভাবে স্বাধিনতার ঘোষক বানানোর চেষ্টা করতে হয়, গুপ্ত দের গোলাম আযম কে ভাষা সৈনিক ঘোষণা করতে হয় আরোও কত কি করতে হচ্ছে তাদের। আতিকুল হক আরো লিখেছেন, আওয়ামিলীগ এর দোহাই দিয়ে জয় বাংলার চুল্কানির মলম তইরি হবে না পাকি জারজ গুলার জন্য ইনকিলাব প্রতিষ্ঠা হবে না। তবে ভালো হয়েছে যে ৫ আগস্ট এদের মুখোশ উম্মোচন করে দিয়েছে, এদের ইস্লামের দোহাই দিয়ে পাকিস্তান পন্থি লোক ঠকানো রাজনিতি আমরা বুঝে গেছি। যারা এদের পক্ষে কথা বলে হয় তারা বুদ্ধি প্রতিবন্ধি নয়তো পাকিস্তান পন্থি।” পোস্টে তিনি আরও মন্তব্য করেন, “রিসেট বাটন চাপ দিয়ে ইনকিলাব কারা বলতে চাইছে কেন চাইছে এটা আমরা জানি, আওয়ামিলীগ এর দোহাই দিয়ে যারা এসব হালাল করতে চায়, ধরম ব্যবসার রাজনিতি প্রতিষ্ঠা করতে চায় হয় তারা বুদ্ধি প্রতিবন্ধি নাহয় পাকিস্তানপন্থি।” আতিকুল হকের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে শিক্ষার্থীরা সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু করলে তোপের মুখে পোস্টটি ডিলেট করে দিয়েছেন তিনি।”
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।