মুঃ মাকসুদুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি ভোলা :
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুটি দাখিল মাদরাসার সুপারের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. জাফর উদ্দিন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ওমর ফারুক।
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
তদন্তে উঠে এসেছে, মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি তৈরি, ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠন, জাল ফলাফলপত্র প্রস্তুত এবং মহাপরিচালকের প্রতিনিধির জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন পাঠানো হয়েছে।
এসব অভিযোগ তদন্তের জন্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে উভয় প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করেছে।
এছাড়া তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ব ফরিদাবাদ ইউনুছিয়া দাখিল মাদরাসায় মো. মিরাজ হোসেন এবং চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদরাসায় আফফান নামে একজনকে বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১-এর ১৮.১ (গ) ও ১৮.১ (ঙ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দুই সুপারের বর্তমান এমপিওভুক্ত বেতন-ভাতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না কেন, সে বিষয়ে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
মুঃ মাকসুদুর রহমান
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।