ভোলা প্রতিনিধি : গড়িমসি করে মামলা নিলেও হত্যা চেষ্টায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করছেনা চরফ্যাশন থানার পুলিশ। ঘটনার দুই মাসেও আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মামলার বাদি ব্যবসায়ী আল এমরান রাসেল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার সঙ্গে জমিজমার বিরোধ নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে হালিমাবাদ ১নং ওয়ার্ডের নুরুজ্জামানের ছেলে ইমন,আকতার,নুর হোসেন ও অহিদের স্ত্রী মিনারা বেগমসহ তার ছেলে শরীফ,আরিফ একত্রিত হয়ে গত জুনের ৯তারিখ মঙ্গলবার সকালে আমার কলেজ পড়ুয়া ছেলে তাজিন আহমেদ রাফসান সহপাঠিদের সঙ্গে কলেজে যাওয়ার পথে আমার ছেলেকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চরফ্যাশন উপজেলার আমিনাবাদ হাইস্কুল চৌমহনী মোড়ে চায়ের দোকান থেকে এক কেটলি ফুটন্ত গরম পানি ছুড়ে মারে।
এঘটনায় ভিকটিমের নাক শ্বাসনালী মুখমন্ডল চোখ ও বুক ঝলসে যায়। এসময় লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত নীল ফোলা জখম করে। ছেলের সঙ্গে থাকা সহপাঠি রাব্বি উদ্ধার করতে আসলে তাকেও মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে রাফসানকে বরিশাল ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এঘটনায় চরফ্যাশন থানায় মামলা দিতে গেলে থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ আল ফরিদ ভূইয়া মামলা নিতে গড়িমসি করেন।
উপায় না পেয়ে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল কোর্টের শরণাপন্ন হলে কোর্টের নির্দেশে থানায় মামলা রুজু হওয়ার দুই মাসেও আসামিদের গ্রেফতার করছেনা পুলিশ। আসামিরা এখন পথেঘাটে দেখলেই আমাকে গলা কেটে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মাহমুদ আল ফরিদ ভূইয়া বলেন,আসামি ইমন ভ্যানগাড়ী চালায়।
রাফসান ভ্যানে করে ধান নেয়া ও ভ্যান ভাড়ার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইমনের উপর হামলা করে এবং রাফসান প্রথম গরম চা মারে ওই চায়ে ইমন ও রাফসান আহত হয়। কিন্তু ইমন গরীব হওয়ায় মামলা করেনি। বাদির সঙ্গে বিবাদীর জমিজমা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। মামলাটি আমরা আরও গভীর তদন্ত করছি। ভোলার পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন,বিষয়টি অবগত হয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।