গৌরনদী প্রতিনিধি:
ঈদযাত্রায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কো পাঁচটি দূর্ঘটনা ঘটেছে। পৃথক দূর্ঘটনায় মোট ৬ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছে।গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে সকাল পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় এসব দূর্ঘটনা ঘটে। পৃথক দূর্ঘটনায় মা-বাবার সঙ্গে সন্তান সহ একই পরিবারের তিনজনের প্রাণ গেছে। এছাড়াও আরেক দূর্ঘটনায় এক মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হয়েছে। গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার মো. মিজানুর রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার(২৬ মে)চার বছর পর স্ত্রী ও ফুটফুটে কন্যা সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ঈদযাত্রায় বাড়ি ফিরছিলেন উজিরপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে ফিরোজ মাহমুদ (৩৯)। পথিমধ্যে দুপুরে সাড়ে বারটার দিকে গৌরনদী উপজেলার মহাসড়কের বাটাজোর বাসষ্ট্যান্ডে যানজটের কারনে মোটরসাইকেল থামিয়ে রাখেন। এসময় তাজ আনন্দ পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ফিরোজ মাহমুদ সহ তার স্ত্রী মনিরা বেগম এবং কন্যা জান্নাত আক্তার (৪) নিহত হয়। ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতা বাসটি ভাংচুর করে।
একই দিন সকাল ৯টার দিকে দশমিনা পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বার্থী বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দুধের বাজারে ঢুকে পড়ে। এতে পথচারী তারাকুপি গ্রামের মৃত আলম চৌকিদারের ছেলে জাহাঙ্গীর চৌকিদার (৬০) নিহত হন। এ ঘটনায় আরও চার পথচারী আহত হন।
অপরদিকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ইল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাউদিয়া পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় পথচারী উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের মো. আইয়ুব আলীর স্ত্রী মোসা. হাসিনা (৫৫) নিহত হন।
অপরদিকে শনিবার (৩০ মে) বিকেলে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার টরকী বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা নামক এলাকায় যাত্রীবাহি লাবিবা গ্রুপের আহানাত পরিবহনের ধাক্কায় উজিরপুরের সাতলা গ্রামের মৃত হানিফ বিশ্বাসের ছেলে মোটরসাইকেল চালক শাহ আলম (৩৯) নিহত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পৃথক দূর্ঘটনায় নিহতদের উদ্ধার করে লাশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করেছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহনগুলো জব্দ করার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।