শনিবার, আগস্ট ১, ২০২৬

বিশ্বকাপের ফুটবল উন্মাদনায় কলাপাড়ার নতুন আকর্ষণ ‘ব্রাজিল গেট’

মাহতাব হাওলাদার, মহিপুর প্রতিনিধি:
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় যখন পুরো দেশ রঙিন উৎসবে মেতে উঠেছে, তখন সেই আবেগের অনন্য বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন জানাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্যানার, তোরণ, ফেস্টুন ও পতাকা টানানো হলেও এবার সবার নজর কেড়েছে ব্যতিক্রমধর্মী একটি ‘ব্রাজিল গেট’।
উপজেলার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শহরের প্রবেশমুখে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে প্রায় ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২৫ ফুট প্রস্থের দৃষ্টিনন্দন এই গেট। সবুজ ও হলুদ রঙের কাপড়ে সাজানো গেটটির শীর্ষে শোভা পাচ্ছে ব্রাজিল ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, যা দুই দেশের প্রতি ভালোবাসা ও ক্রীড়াবান্ধব চেতনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
দিন-রাত অসংখ্য পথচারী ও ফুটবলপ্রেমী গেটটির সামনে এসে ছবি তুলছেন, স্মৃতি ধরে রাখছেন এবং বিশ্বকাপের আনন্দ ভাগাভাগি করছেন। স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু একটি প্রবেশদ্বার নয়, বরং ফুটবলপ্রেম, সম্প্রীতি ও তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের এক প্রতীকী নিদর্শন।
আয়োজকদের ভাষ্য, নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আরও উৎসাহিত করা, সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের বিশ্বাস, খেলাধুলা তরুণদের ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ব্রাজিল সমর্থক মো. মাসুদ মিয়া বলেন,
“ব্রাজিল আমাদের আবেগ ও ভালোবাসার নাম। আমরা বিশ্বাস করি, সর্বকালের অন্যতম সেরা এই দল এবারও সাফল্যের মুকুট জিতবে। এই গেটের মাধ্যমে আমরা শুধু সমর্থনই প্রকাশ করছি না, বরং ফুটবলের মাধ্যমে ঐক্য, আনন্দ ও সৌহার্দ্যের বার্তাও পৌঁছে দিতে চাই।”
বিশ্বকাপকে ঘিরে কলাপাড়ার এই ব্যতিক্রমী ‘ব্রাজিল গেট’ ইতোমধ্যেই স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ফুটবলের রঙে রাঙানো এই আয়োজন যেন প্রমাণ করে—খেলা শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি মানুষের আবেগ, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার এক অপূর্ব মিলনমেলা।

আরো পড়ুন

কুয়াকাটায় আওয়ামী লীগ নেতার দখলে থাকা জমি, মার্কেট নিজের দাবী করে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন।

বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া : এবার কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল বারেক মোল্লার দখলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *