রবিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬

পল্লী চিকিৎসকের সন্তান থেকে এমবিবিএস ডাক্তার -শফিউল 

বানারীপাড়া প্রতিনিধি: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মো. শফিউল। ছোটবেলা থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল একজন চিকিৎসক হওয়ার। দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নামের পাশে ‘ডাক্তার’ লেখার গৌরব অর্জন করেছেন তিনি।
শফিউলের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে পরিবারের অনুপ্রেরণা, ত্যাগ ও নিরলস প্রচেষ্টা। তাঁর বাবা পল্লী চিকিৎসক মো. সাহেব আলী ডাক্তার দীর্ঘ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। বাবার মানুষের সেবার এই মহান পথই ছোটবেলা থেকেই শফিউলের মনে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নকে আরও দৃঢ় করে তুলেছিল।
চার ভাই-বোনের মধ্যে বেড়ে ওঠা শফিউল ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী, নম্র ও ভদ্র স্বভাবের। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিশারকান্দি মানবকল্যাণ সোসাইটি (নিবন্ধন নম্বর: বরি-২০০৪/২৬)-এর প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটির মাধ্যমে এলাকার মানুষের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি।
সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে একজন পল্লী চিকিৎসকের সন্তান হিসেবে শুরু হওয়া শফিউলের এই পথচলা আজ এমবিবিএস ডাক্তার হওয়ার গৌরবময় অর্জনে পৌঁছেছে। তাঁর এই সাফল্য শুধু তাঁর পরিবারের জন্য নয়, পুরো বিশারকান্দি ইউনিয়নবাসীর জন্যও গর্ব ও আনন্দের।
জানা গেছে, শফিউলের মা একজন গৃহিণী। ছেলের চিকিৎসক হওয়ার এই অর্জনে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
শফিউলের এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে মানুষের সেবায় একজন আদর্শ চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন তারা।
একজন পল্লী চিকিৎসকের সন্তান থেকে আজ একজন এমবিবিএস ডাক্তার—মো. শফিউলের এই স্বপ্নজয়ের গল্প হতে পারে নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

আরো পড়ুন

পিরোজপুরে জমি দখলের চেষ্টা ও ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, বৃদ্ধকে মারধর ও হত্যার হুমকি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক: পিরোজপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক বৃদ্ধের ভোগদখলীয় জমি জবরদখলের চেষ্টা, ৩ লাখ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *