নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশালে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ সোমবার পালিত হয়েছে পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাক বাহিনীর দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয় বরিশাল। স্বাধীনতার স্পন্দনে সেদিন মুক্তিযোদ্ধারা বাধভাঙা উল্লাসে মেতে উঠেছিলেন।
ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরটির সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, শত্রুমুক্ত হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠা হয়েছিল স্বাধীন বাংলা সরকারের অস্থায়ী সচিবালয়। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃৃতিবিজড়িত এ স্থাপনাটি এখনো সংরক্ষিত রয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে সকালেই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রথমে মুক্তিযোদ্ধারা বগুড়া রোডে অবস্থিত সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রথম সচিবালয়ের সামনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সেখান থেকে একটি আনন্দ র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ। আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক আক্কাস, খলিল চৌকিদার, ইসরাইল পণ্ডিত, আব্দুল হকসহ দুই শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা ধারণ করে এগিয়ে আসতে হবে। তারা প্রতীজ্ঞা ব্যক্ত করেন, স্বাধীনতার মহান অর্জন রক্ষায় আজীবন সংগ্রামী হওয়ার। গভীর শ্রদ্ধা ও দেশাত্মবোধে বরিশাল আজ স্মরণ করেছে তার মুক্তির দিনটিকে।
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।