আমতলী প্রতিনিধি:
বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের ফকিরখালী গ্রামে রেকর্ডীয় জমিতে নির্মিত ঘর রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মোতাহার হাওলাদার গং দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুরুন্নাহার বেগম আমতলী আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফকিরখালী গ্রামের বাসিন্দা নুরুন্নাহার বেগম স্বামীর মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত এস.এ. ৩১২ খতিয়ানের জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। গত রোববার তিনি বসবাসের উদ্দেশ্যে ওই জমিতে প্রায় ১৪ হাত দৈর্ঘ্যের একটি ২১-বান্দের টিনের ঘর নির্মাণ করেন। ঘরে ঘুমিয়ে থাকা তিনজন নারীদের হুকমি ও জোর পুর্বক টেনে হিচরে নামিয়ে ঘর ভেংগেচুরে নিয়ে যায় মোতাহার সিকদার সহ ১০/১৫ জন ভাড়াটিয়া লোকেরা। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার নির্মিত ঘরটি উঠাতে প্রায় এক লক্ষ টাকা খরচ হয়।
এ মামলার এজাহারে আসামী করে মো. মোতাহার সিকদার (৬০), সোলায়মান সিকদার (২৫), মোস্তফা ঘরামী (৩০), রাবেয়া (২৮), কোহিনুর (৫৫) ও ইউসুফ সিকদার (৩০)-এর নাম সহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ চৌকিদার বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে ছিলাম। আমাদের জিম্মি করে রাখার কারণে বাধা দিতে পারিনি। মামলার দুই সাক্ষীও দাবি করেছেন, তারা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছেন; তবে প্রাণভয়ের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করতে পারেননি।
অভিযোগ অস্বীকার করে মো. মোতাহার সিকদার বলেন, “ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই এ মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “আদালত থেকে এখনো কোনো কাগজপত্র পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Daily Bangladesh Bani বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দৈনিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে, সমাজের অন্ধকার দিকগুলো উন্মোচন করে প্রতিটি মানুষের সমান অধিকারের প্রচার করি।