বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১, ২০২৬

ভরা মৌসুমেও মিলছেনা ইলিশ, হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন তজুমদ্দিনের হাজারো জেলে

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দ্বীপ জেলা ভোলার তজুমদ্দিনের মেঘনা নদীতে ভরা মৌসুমেও মিলছেনা কাঙ্খিত ইলিশ। আর এতে হতাশায় দিন অতিবাহিত করছে প্রায় তিন শতাধিক নৌকা মালিক এবং বেকার হয়ে পড়েছে পাঁচ হাজারের ও বেশী জেলে।
তজুমদ্দিন মৎস্য অফিসের তথ্যমতে,এ উপজেলায় মোট নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন,১৯হাজার ৫০০জেলে।এর মধ্যে সরাসরি মৎস্য পেশায় সম্পৃক্ত রয়েছেন ৭ হাজারের  বেশী জেলে।এরমধ্যে বর্তমানে বেকার হয়ে পড়েছেন ৫ হাজার জেলে।
আক্ষেপ করে কয়েকজন  জেলে জানান,নদীতে যে পরিমাণ মাছ পাওয়া যায় তাতে নৌকার তেলের খরচই উঠছেনা,সংসার চালাবো কিভাবে!
১৫ আগস্ট শনিবার তজুমদ্দিনের স্লুইজগেট ঘাট, গুরিন্দা বাজার ঘাট এবং চৌমুহনী ঘাট ঘুরে দেখা যায়,মাছের গদি ঘরগুলোতে অলস সময় পার করছেন ব্যবসায়ী ও জেলেরা। ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছ ও অনেক কম পড়ায় মাছ ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন অনেকে। মো: মনির নামের এক শিক্ষক ও মাছ ব্যবসায়ী হতাশা প্রকাশ করে  জানান,তিনটি নৌকা ও জাল সহ প্রায় ২০ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে মাছ ব্যবসায় নেমেছেন কিন্তু এ বছর মাছের পরিমাণ কম হওয়ায় নদীতে তিনটি নৌকা নামানো বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। গুরিন্দা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী মো:নুরনবী মিয়া বলেন,’অহন কত্ত ভরা-পুরা মসুম (মৌসুম) কিন্তু কোনানোই(কোথাও) ইলিশের দেহা(দেখা) নাই,ব্যবসা করুম কেমনে’!!
 ইলিশ কম হওয়ার বিষয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো:আমির হোসেন জানান,মেঘনা নদী অত্যন্ত খরস্রোতা একটি নদী। তবে ডুবোচরের কারণে সমুদ্র থেকে উঠে আসা ইলিশের সঠিক চলাচলের প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। আর এ কারণে ইলিশ মাছ কম পাওয়া যায়।ডুবোচরের  বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ড্রেজিং করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
ছবির ক্যাপশন: ইলিশ না পাওয়ায় তজুমদ্দিনের চৌমুহনী ঘাটে অলস অবস্থায় পড়ে আছে শত শত নৌকা।

আরো পড়ুন

বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলামকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা

মোঃ মেহেরাব হোসেন রিফাত : সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *